ষ্টাফ রিপোর্টার :
মাত্র দশ ঘন্টা ব্যবধানে নারায়ণগঞ্জ মহানগরীর দেওভোগ এলাকা থেকে আরো এক যুবকের লাশ উদ্ধার করেছে জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে পুলিশ ।
কে বা কারা দেওভোগ মর্গ্যান স্কুল সংলগ্ন মাঠে দর্জী শ্রমিক সিয়াম (১৬) কে শ্বাসরোধ করে হত্যা পর লাশ ফেলে যায় । সোমবার ২৮ জানুয়ারী সকালে লোকজন লাশ দেখতে পেয়ে খবর দিলে সিয়ামের বাবা সোহেল মিয়া লাশ শনাক্ত করে।
নারায়ণগঞ্জ সদর থানা পুলিশের দারোগা তাহিদ জানায়, সিয়াম মূলত: দর্জী শ্রমিক হিসেবে শহরের হাজী কলিমুল্লাহ মাকেটের আজিজুর মিয়া কারখানায় কাজ করতো । রাতে কাজ শেষে বাসায় ফেরার আগে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে হত্যা করা হয়েছে বলে প্রাথমিক ভাবে ধারণা করা হচ্ছে ।
পরিবারের দাবী কয়েকজন বখাটের সাথে হাতের ব্রেসলেট নিয়ে কয়েকদিন যাবৎ সিয়ামের দ্বন্ধ ছিলো । গত রোববার রাতে কাজ শেষে বাড়ী ফিরে না আসায় সারারাত খোজাখুজির পর সকালে মিন্নত আলীর মাঝারের পাশে লাশ পরে থাকতে দেখে লোকজনের কাছে খবর পেয়ে সিয়ামের লাশ শনাক্ত করে।
নিহত সিয়াম ৪ ভাইয়ের মধ্যে পরিবারের বড় সন্তান। বাবার সোহেল মিয়ার পাশাপাশি সিয়াম কাজ করে ১০ বছর বয়স থেকেই সংসারের হাল ধরেছিলো। তার বাড়ী দেওভোগ পানির ট্যাকিং এলাকার লিচুবাগে ।
এমন ঘটনায় সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কামরুল ইসলাম জানান, আসামীদের আটক করার পাশাপাশি লাশ ময়না তদন্ত করতে পুলিশ কাজ করে যাচ্ছে ।
অপরদিকে গত রোবরাব রাত ৭ টায় মাদক ব্যবসার জের ধরে বন্ধুদের হাতে খুন হয়েছে পুলিশের সোর্স ও ক্রসফায়ারে নিহত হাসানের অন্যতম সহযোগি আলমগীর হোসেন (৩০) নামে এক যুবক।
সদর উপজেলার ফতুল্লা থানার দেওভোগ পানির ট্যাংকি এলাকায় তাকে কুপিয়ে এ হত্যাকান্ডের ঘটনাটি ঘটায়।
ঘটনার পর নিহতের ভাতিজা শাকিল ঘটনাস্থল থেকে তার লাশ উদ্ধার করে ৩শ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে নিয়ে যায়। পরে পুলিশ এসে সেখান থেকে লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য ১শ’ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।
গত কয়েকদিন আগে এলাকার চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী ডেভিডসহ তার কয়েকজন সহযোগীকে পুলিশে ধরিয়ে দেয়। এ ঘটনার জের ধরেই আলমগীরকে হত্যা করা হয়েছে বলে এলাকাবাসীর ধারণা।
হত্যাকান্ডের সত্যতা নিশ্চিত করে ফতুল্লা মডেল থানার ওসি শাহ এস এম মঞ্জুর কাদের জানান, নিহতের বন্ধুরা এ হত্যাকান্ডে জড়িত থাকতে পারে বলে ধারনা করা হচ্ছে।
এ রিপোর্ট লেখাকালীন সময় দুপুর ১২টায় হত্যাতান্ডের শিকার দুই যুবকের লাশ জেনারেল হাসপাতালের মর্গে রাখ হয়েছে । উভয় পরিবারের স্বজনদের আহাজারিতে হাসপাতালের পরিবেশ ভারী হয়ে উঠে ।









Discussion about this post