আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির এক সভায় নারায়ণগঞ্জের স্বঘোষিত করোনা রোগীকে দেখা গেছে।
২৬ আগস্ট বুধবার ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষ্যে বঙ্গবন্ধু এভিনিউ বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ওই সভা অনুষ্ঠিত হয়।
এতে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক ও সাংগঠনিক সম্পাদক বিএম মোজাম্মেল হক। ওই সভাতেই দেখা গেছে নারায়ণগঞ্জের শ্রমিক লীগ নেতা কাউসার আহমেদ পলাশ।
প্রসঙ্গত জাতীয় শ্রমিক লীগের শ্রমিক উন্নয়ন ও কল্যান বিষয়ক সম্পাদক এবং ফতুল্লা আঞ্চলিক শ্রমিকলীগের সভাপতি কাউসার আহমেদ পলাশ ২ মাসের ব্যবধানে আবারো করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন আদালতে দেওয়া আবেদনে তাঁরই আইনজীবী এমনটি উল্লেখ করেন।
১৮ আগস্ট দুপুরে নারায়ণগঞ্জ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের একটি মামলায় দাখিল করা নথিতে মিথ্যা তথ্য দেন জাতীয় শ্রমিক লীগের শ্রমিক উন্নয়ন ও কল্যান বিষয়ক সম্পাদক এবং ফতুল্লা আঞ্চলিক শ্রমিকলীগের সভাপতি কাউসার আহমেদ পলাশ। নথিতে দেখা গেছে, আদালতে দেয়া সময়ের আবেদনপত্রে উল্লেখ করেছেন কাউসার আহমেদ পলাশ করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার কারণে বিজ্ঞ আদালতে উপস্থিত হতে পারে নাই। তাই তার সময় প্রয়োজন।’
একটি মানহানি মামলায় দুপুরে নারায়ণগঞ্জ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের ধার্য তারিখ ছিল। সেদিন সকাল থেকেই দৈনিক সময়ের নারায়ণগঞ্জ পত্রিকার প্রকাশক ও সম্পাদক জাবেদ আহমেদ জুয়েল ও যুগান্তরের ফতুল্লা প্রতিনিধি আলামিন প্রধান আদালতে উপস্থিত ছিল। কিন্তু আদালতে আসেননি মামলার বাদী কাউসার আহমেদ পলাশ।

এর আগে গত ১৮ জুন গণমাধ্যমকে কাউসার আহমেদ পলাশ জানিয়েছিলেন, গত ১৪ জুন তিনি নমুনা দেন। এরপর পর গত ১৬ জুন তার করোনা পজিটিভ রিপোর্ট আসে। রিপোর্ট আসার পর থেকেই বাড়িতে আইসোলেশনে চলে যান। তখন মাঝে মাঝে জ¦র অনুভব হচ্ছিল ওষুধ খাওয়ার পর সাথে সাথে সেড়ে উঠছিল। তেমন কোনো জটিলতা দেখা দেয়নি। ২১ জুন সন্ধ্যায় তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে। বিষয়টি শ্রমিক লীগ নেতা ইসরাফিলের মাধ্যমে সাবেক মন্ত্রী শাহজাহান জানতে পেরে পলাশকে ফোন দেন। পরে তিনিই পলাশকে জানান ইতোমধ্যে স্কয়ার হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করেছেন। তিনি সেখানে ভর্তি হতে পারবেন। রাতেই পরে পলাশ শাহজাহান খানের রেফারেন্সে স্কয়ার হাসপাতালে ভর্তি হন। ২৪ জুন প্রথম পরীক্ষায় করোনা নেগেটিভ আসে। পরে তিনি বাড়ি ফিরেন। এরপর আর দ্বিতীয় পরীক্ষা না করেই কেন্দ্রীয় নেতাদের পাশে বসেন কাউসার আহমেদ পলাশ ।








Discussion about this post