এনএনইউ রিপোর্ট :
পারিবারিক কলজের জের ধরে প্রথম স্ত্রী দুই সন্তানের জননী উম্মেহানীকে হত্যার পর লাশ শশুর বাড়ির উঠানে ফেলে পালানোর সময় এলাকাবাসী ঘাতক স্বামী তুহিন মিয়াকে (৩৫) কে আটক করে পুলিশে হস্তান্তর করেছে । ঘটনাটি ঘটেছে ৪ জানুয়ারী সকাল ১০ টায় আড়াইহাজার উপজেলার বুরবুরিয়ার টেক এলাকায় ।
নিহতের পরিবারের অভিযোগ আটক তুহিন মিয়া ফুসকার সঙ্গে কীটনাশক দিয়ে উম্মেহানীকে হত্যা করে করে লাশ বাবার বাড়িতে ফেলে দিয়ে পালাতেছিলো।
নিহত উম্মেহানী বুরবুরিয়ারটেক এলাকার ছানাউল্লাহর মেয়ে। আটক তুহিন (২৮) ছনপাড়া এলাকার নুর ইসলামের ছেলে। ঘটনার পর এলাকাবাসী তুহিনকে ধরে গণপিটিুনী দিলে সে গুরুতর আহত হয়। বতর্মানে গণপিটুনীতে গুরুতর আহত তুহিন মিয়াকে পুলিশ প্রহরায় তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।
নিহতের মা খোদেজা বেগম মেয়েকে হত্যার অভিযোগ এনে তুহিনকে অভিযুক্ত করে আড়াইহাজার থানায় একটি মামলা দয়ের করেন।
অভিযোগের ভিত্তিতে জানা যায়, পাঁচ বছর আগে ছনপাড়া এলাকার নুর ইসলামের ছেলে তুহিনের সঙ্গে পারিবারিকভাবে বিয়ে হয় উম্মোহনীর। তাদের সংসারে দুই সন্তানের জম্ম নেয়। কিন্তু ৯ মাস আগে গোপনে দ্বিতীয় বিয়ে করেন তুহিন। দ্বিতীয় বিয়ের কারণে তাদের মধ্যে পারিবারিক কলহ লেগেই থাকতো ।
গত ৩ জানুয়ারি বিকালে তুহিন তার ছোট মেয়ে ইকরাকে চিকিৎসক দেখানোর নাম করে স্ত্রী উম্মেহানী ও মেয়েকে ছনপাড়া নিয়ে যায়। রাতে তাকে ফুসকার সঙ্গে কীটনাশক জাতীয় পদার্থ মিশিয়ে খাইয়ে দেয়া হয়। এতে তার মৃত্যু হয়। মৃত্যুর পর তুহিন উম্মেহানীর লাশ তার বাবার বাড়ির উঠানে ফেলে পালানোর সময় তাকে আটক করে এলাকাবাসী গণপিটুনী দেয়।
আড়াইহাজার থানার দারোগা হুমায়ন জানান, প্রাথমিকভাবে ধারনা করা হচ্ছে খাবারের সঙ্গে তাকে বিষাক্ত কোন পদার্থ খাইয়ে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে। লাশের ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়া গেলে জানা যাবে গৃহবধু উম্মেহানীর মৃত্যুর মূল কারণ ।
আড়াইহাজার থানার ওসি আক্তার হোসেন বলেন, তুহিন মিয়াকে গণপিটুনীর এক পর্যায়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে গুরুতর আহতবন্থায় আটক করে আড়াইহাজার উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে ।









Discussion about this post