নারায়ণগঞ্জ নিউজ আপডেট :
জঙ্গি আদলে তোলা ছবি নিয়ে এবার জোড়ালোভাবে মাঠে নেমেছে নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশের একটি উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন দল । সাংবাদিক সম্মেলনে এমনটি বলেছেন পুলিশ সুপার হারুন অর রশিদ ।
বুধবার ১ মে দুপুরে জেরা পুলিশ সুপারের সম্মেলন কক্ষে হারুন অর রশিদ বলেছেন, জঙ্গি আদলে তোলা ছবিটির কারনে গ্রেফতারকৃত নেয়ামতউল্লাহ আবাসীর চালচলন ও গতিবিধি নিয়ে জঙ্গি সম্পৃক্ততার সন্দেহ সৃষ্টি হয়েছে। কোন জঙ্গি সংগঠনের সাথে বাস্তবে তার সম্পৃক্ততা আছে কিনা সে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। একই সাথে উদ্ধারকৃত গুলির খোসাগুলো কোথায় ব্যবহৃত হয়েছে এবং কি উদ্দেশ্যে তিনি অস্ত্র হাতে জঙ্গি স্টাইলে ছবি তুলে ফেসবুকে প্রচার করেছেন সে বিষয়টিও পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। গ্রেফতারের পর নেয়ামত উল্লাহ আব্বাসীকে জিজ্ঞাসাবাদ সহ তার বিষয়ে তদন্ত চলছে উল্লেখ করে নারায়ণগঞ্জে মাদক, জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাসী কর্মকান্ডে জড়িতদের পর্যায়ক্রমে আইনের আওতায় আনা হবে ।
জঙ্গি কায়দায় গার্মেন্টসে হামলা, ভাংচুর ও লুটপাট মামলাসহ জঙ্গি সম্পৃক্ততা সন্দেহে জৈনপুরী পীরের ভাই নেয়ামত উল্লাহ আব্বাসী অস্ত্রসহ গ্রেফতার করে ৭ দিনের রিমান্ডের আবেদনে আদালতে পাঠিয়েছে সিদ্ধিরগঞ্জ থানার দারোগা ইব্রাহিম পাটেয়ারী ।
এর আগে মঙ্গলবার গভীর রাতে সদর উপজেলার সিদ্ধিরগঞ্জ থানার পাঠানটুলী এলাকায় নিজ বাড়ি থেকে একটি দোনলা বন্দুক ও কয়েকটি গুলির খোসাসহ পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে।
পুলিশ বলছে, নেয়ামত উল্লাহ আব্বাসীর বিরুদ্ধে জঙ্গি সম্পৃক্তার অভিযোগ রয়েছে এবং তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ হারুন অর রশিদ তার কার্য্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে গণমাধ্যমকে আরো জানান, গত ২৫ এপ্রিল দিনরাতে এনায়েত উল্লাহ আবাসীর নের্তৃত্বে জঙ্গি কায়দায় পাঠানটুলী এলাকায় এইচ এন এ্যাপারেলস নামে একটি গার্মেন্টস কারখানার দেয়াল ভেঙ্গে ভেতরে প্রবেশ করে হামলা, ভাংচুর ও লুটপাট করে সন্ত্রাসীরা। এ ঘটনায় গার্মেন্টস কর্তৃপক্ষ ওই রাতেই সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলায় নেয়ামত উল্লাহ আবাসীকে প্রধান আসামী করে ১১জনের নামউল্লেখসহ অজ্ঞাত আরো দেড়শ’ জনকে আসামী করা হয়। এই মামলায় পুলিশ পরদিন চার আসামীকে গ্রেফতার করলেও নেয়ামত উল্লাহ আব্বাসী সহ অন্যান্য আসামীরা আত্মগোপনে থাকেন। এ ঘটনার পরদিন রিভলবার হাতে ও সাথে এস এমজি নিয়ে জঙ্গি আদলে তোলা এনায়েত উল্লাহ আব্বাসীর একটি ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক সহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে ভাইরাল হলে ব্যাপক আলোচনায় আসেন তিনি। এর পরই এনায়েত উল্লাহ আব্বাসী আইন শৃংখলা বাহিনীর নজরে আসেন।









Discussion about this post