নারায়ণগঞ্জ প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক শরীফ উদ্দিন সবুজকে হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে হাজী রিপন ও তার এক সহযোগীর বিরুদ্ধে।
সোমবার (২৮ জুন) বেলা সোয়া একটার দিকে প্রেস ক্লাব ভবনের লিফটে এই ঘটনা ঘটে বেলে উল্লেখ করে থানায় সাধারণ ডায়রী করা হয়েছে ।
হুমকির অভিযোগে নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) তে সাংবাদিক শরীফ উদ্দিন সবুজ উল্লেখ করেছেন, ‘সোমবার বেলা সোয়া একটার দিকে আমি নারায়ণগঞ্জ প্রেস ক্লাব ভবনের পঞ্চম তলায় আমার অফিস থেকে লিফটে নামছিলাম। ক্লাবের ষষ্ঠ তলা থেকে লিফটে এসে পঞ্চম তলায় থামে সন্ত্রাসী হিসেবে শহরে পরিচিত নগরীর জামতলা নিবাসী হাজী রিপন। আমি লিফটে উঠে ক্লাবের তৃতীয় তলায় থামি। এখান থেকে আমার দুইজন বন্ধু লিফটে উঠে। তারা লিফটে উঠতে সাত থেকে দশ সেকেন্ড দেরি করে। এ নিয়ে হাজী রিপন ও তার সাথে থাকা নীল শার্ট পড়া এক ব্যাক্তি খুবই উত্তেজিত হয়ে ওঠে। হাজী রিপন আমাকে আমি মিনিষ্টার হয়ে গেছি কিনা, দেখিয়ে দিবো, এ ধরনের কথা বলতে বলতে নিচে নামে।’
জিডিতে সাংবাদিক সবুজ আরও বলেন, ‘ভবনের নিচে লিফট থামলে নারায়ণগঞ্জ প্রেসক্লাবের ম্যানেজার শাহ আলমকে দেখতে পাই। হাজী রিপন হৈ-চৈ করতে থাকলে ম্যানেজার শাহ আলম এর প্রতিবাদ করলে হাজী রিপন তার সাথে উত্তেজিত হয়ে ওঠে। এ সময় নারায়ণগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবু সাউদ মাসুদ, প্রেস ক্লাবের পিয়ন রাকিবসহ আশেপাশের লোকজন চলে আসে এবং তার উত্তেজিত আচরণের প্রতিবাদ জানায়। এ সময় সবার ক্ষোভের মুখে সে পালিয়ে যায়।’
‘হাজী রিপন নারায়ণগঞ্জে চিহ্নিত সন্ত্রাসী হিসেবে পরিচিত। তার বিরুদ্ধে থানায় একাধিক জিডি ও মামলা রয়েছে। এহেন সন্ত্রাসী ভবিষ্যতে আমার ক্ষতি করতে পারে বলে আমি আশংকা করি। অতএব বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনের অনুরোধ রইলো।’, উল্লেখ করা হয় জিডিতে।
উল্লেখ্য, অভিযুক্ত হাজী রিপনের বিরুদ্ধে কিছুদিন পূর্বে ফটো সাংবাদিক মাহমুদুর রহমান প্রীতমকে মারধর করে রক্তাক্ত জখম করার অভিযোগ ওঠে। ওই ঘটনায় ফতুল্লা মডেল থানায় মামলাও করেন ভুক্তভোগী প্রীতম। এমন ঘটনা ছাড়াও হাজি রিপনে বিরুদ্ধে নানা অবিযোগ রয়েছে ।
এমন হুমকির বিষয়ে জানতে হাজি বজলুর রহমান রিপনের মুঠোফোনে অসংখ্যবার যোগোয়োগের পর একবার সংযোগ হলেও কথার মধ্যপথে মুঠোফোন বন্ধ হয়ে গেলে আব তার মন্তব্য পাওয়া যায় নাই বহুবার চেষ্টা করেও ।









Discussion about this post