ভেজাল ! ভেজাল ! ভেজাল ! নাারয়ণগঞ্জের কোথায় নেই ভেজালের দৌড়াত্ম ! আইনশৃংখলা বহিনীর একাধিক সংস্থা থাকলেও কোন কোন সরকারী আইনপ্রয়োগকারী সংস্থার কর্মকর্তারা নিয়মিত মাসোয়ারা গ্রহণ করে ভেজাল কারবারীদের অলিখিত বৈধতা দিয়ে যাচ্ছে । একেবারেই বিনা বাধায় বিরামহীনভাবে অপরাদীরা যেন ভেজালের রামরাজত্ব চালিযে যাচ্ছে খোদ শহরের সরকারী হাসপাতালের একজন চিকিৎসক নামধারী কর্মকর্তাও ।
খাদ্য সামগ্রী ছাড়াও নারায়ণগঞ্জ শহর, ফতুল্রা, সিদ্ধিরগঞ্জ, রূপগঞ্জ এলাকায় চোরাই জ্বারানী তেলে ভেজাল চলছে প্রকাশ্যেই, চলছে ভ্যোজ্য তেলের ভেজাল, চলছে আটা, লবন, ডাউল, চাউল, সূতা, ক্যামিকেলসহ কোথায় নেই ভেজাল কারবারীদের দৌড়াত্ম ? এমন ভেজালের মহামারিতে এবার র্যাব একাদিক অভিযান চালিয়ে অপরাধিদের দমনে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে । আর অন্যান্য আইন প্রয়োগকারী সংস্থার নাম ব্যবহার করে নূরু ওরফে ল্যাংড়া নূরু ওরফে ক্যাশিয়ার নূরু ডিবি পুলিশ, সিআইডি পুলিশ, পিবিআই পুলিশ এর নাম ব্যবহার করে সকল ভেজাল কারবারীদের কাছ থেকে নিয়মিত মাসোয়ারা আদায় করেই যাচ্ছে । ফলে বীরদর্পে অপরাধীরা প্রকাশ্যেই চালিয়ে যাচ্ছে অপকর্ম
এবার নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ থানাধীন চেঙ্গাইল দক্ষিণপাড়া এলাকায় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে ভেজাল ভেষজ ওষুধ তৈরির দায়ে ৪ জনকে গ্রেফতার করে প্রত্যেককে ২৫ হাজার টাকা করে সর্বমোট ১ লাখ টাকা জরিমানা অনাদায়ে প্রত্যেককে ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদন্ড প্রদান করে র্যাব-১১ কর্তৃক পরিচালিত ভ্রাম্যমান আদালত।
গোপন তথ্যের ভিত্তিতে ৯ সেপ্টেম্বর বিকেল ৪টা থেকে ৫টা পর্যন্ত এ অভিযান চালানো হয়।
গ্রেফতারকৃতরা হলো মো. মনির হোসেন (২৯), মো. ফজল খান (৬৫), মো. নজরুল ইসলাম (৪৪) এবং মো. ইয়াছিন (১৯)।
পরে গ্রেফতারকৃতরা অর্থদন্ড প্রদান করলে তাদেরকে ছেড়ে দেওয়া হয়। পরবর্তীতে ‘সেফটি হেলথ ইউনানী ল্যাবরেটিরী’ সীলগালা করে দেওয়া হয়।
১০ সেপ্টেম্বর র্যাব-১১ এর মিডিয়া অফিসার ও উপ-পরিচালক লে. কমান্ডার মাহমুদুল হাসান এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানান, অভিযানকালে ‘সেফটি হেলথ ইউনানী ল্যাবঃ’ ফ্যাক্টরীতে উৎপাদিত বিপুল পরিমাণ ভেজাল ভেষজ ওষুধ জব্দপূর্বক ধ্বংস করা হয়। র্যাব-১১ কর্তৃক পরিচালিত অভিযানে উক্ত ভেজাল ভেষজ ঔষধ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানে অবৈধ প্রক্রিয়ায় উৎপাদন ও প্রক্রিয়াজাত করে জনস্বাস্থ্যের উপর মারাত্মক ক্ষতিকর প্রভাব পরিলক্ষিত হওয়ায় এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট গোলাম মুস্তাফা মুন্না অপরাধগুলো আমলে নিয়ে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন ২০০৯ এর ৪৩ ধারায় দোষী সাব্যস্ত করে উল্লিখিত ব্যক্তিদের প্রত্যেককে ২৫ হাজার টাকা করে সর্বমোট ১ লাখ টাকা জরিমানা অনাদায়ে প্রত্যেককে ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদন্ড প্রদান করেন।
পরবর্তীতে ‘সেফটি হেলথ ইউনানী ল্যাবঃ’ সীলগালা করে দেওয়া হয়। অননুমোদিত ও ভেজাল ভেষজ ঔষধ উৎপাদন এবং বাজারজাতকরণের বিরুদ্ধে র্যাব-১১ এর অভিযান অব্যাহত থাকবে।









Discussion about this post