এনএনইউ রিপোর্ট :
নির্বাচনকে সামনে রেখে সেনা বাহিনীর ভয়ে নারায়ণগঞ্জ শহরের কয়েকটি স্পটে প্রকাশ্যে জুয়ার রমরমা আসর বন্ধ রাখলেও নির্বাচনের পর আবার সেনা বাহিনী ব্যারাকে ফিরে যাওয়ায় একই কায়দায় শহরের কালীরবাজার, বাসষ্ট্যান্ড ও বঙ্গবন্ধু সড়কের বিভিন্ন স্থানে শুরু হয়েছে জুয়া ।
বিশেষ পেশার কয়েকজনের নাম ব্যবহার করে শহরের বাসষ্ট্যান্ড ও কালীরবাজারে এমন জুয়ার নেশায় সামাজিক ভারসাম্য একেবারেই ভেঙ্গে পরেছে । জুয়ার নেশার কারণে অনেক পরিবার নি:স্ব হয়ে পরায় অপরাধের মাত্রাও দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে ।
নাম প্রকাশ না করার অনুরোধ করে অনেকেই জানান, বাসষ্ট্যান্ডের শাহজাহান, শহরের অবৈধ ইলেক্ট্রিক ব্যবসায়ী শাহজাহান ও শহরের চিহ্নিত চোর রাজার মাধ্যমে এমন রমরমা জুয়ার ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে বিশেষ পেশার নামধারী কয়েকজন । যাদের বিরুদ্ধে কথা বলতে গিয়ে অনেকেই অপমান অপদস্ত হতে হয়েছে । একই সাথে কেউ কেউ এই জুয়ার বিরুদ্ধে জোড়ালো প্রতিবাদ করায় পুলিশের হয়রানীও হতে হয়েছে ।
এমন রমরমা জুয়ার আসর থেকে বিশেষ পেশার কেউ কেউ প্রতিদিন আনুপাতিক হারে ৫শ থেকে শুরু করে ২/৩/৪ হাজার টাকা করে নিয়ে থাকে বলেও জানায় চোর থেকে পদোন্নতি পাওয়া জুয়ার কারবারী রাজা । রাজার অসংখ্য ভিডিও থেকে প্রমাণ পাওয়া যায় বিশেষ পেশার কারা কারা এমন জুয়ার আসর চালিয়ে আসতেছে দীর্ঘদিন যাবৎ ।
এ ছাড়াও শহরের এমন প্রকাশ্য জুয়ার আসর কোন প্রকার বিনা বাধায় পরিচালনা করতে সদর থানার এক কর্মকর্তাকে প্রতি মাসে এক লাখ ২০ হাজার টাকাও পরিশোধ করে জুয়া পরিচালনাকারী বিশেষ পেশার কয়েকজন। এই বিশেষ পেশার প্রভাবশালী কয়েকজন কোন কোন ক্ষেত্রে সংসদ সদস্যদের নামও ব্যবহার করে বলে চাউর রয়েছে শহর জুড়ে।
ভূক্তভোগি অনেকেই ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, জুয়া কখনো বন্ধ করা সহজ বিষয় না । এই জুয়ার নেপথ্যে রয়েছে রাঘব বোয়ালদের কয়েকজন । তবে পুলিশ সুপার হারুন অর রশিদ ও র্যাব যদি কঠোর ভুমিকা গ্রহন করে তবেই শহরের এই অপরাধ সাম্রাজ্য বন্ধ হবে।









Discussion about this post