স্টাফ রিপোর্টার :
চাষাড়া চত্তরে অবৈধভাবে চলাচলরত লেগুনার চাপায় মরিয়ম নামের এক নারী গুরুতর আহত হয়েছে । আহত মরিয়মকে নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন জরুরী বিভাগের চিকিৎসক নাজমুল আলম ।
আজ মঙ্গলবার দুপুরে ১ টা ১৫ মিনিটের সময় শহরের চাষাড়া চত্তরে মরিয়ম (৩০) নামের এই গৃহবধু তার স্বামী এশিয়াটিক ওষুধ কোম্পানীর প্রতিনিধি নাজমুলের মটর সাইকেলের পিছনে থেকে ধাক্কা দিলে ছিটকে পরলে তাকে আবোরো চাপা দেয় শহর থেকে মুন্সীগঞ্জের মুক্তারপুর চলাচলরত অবৈধ লেগুনা । ঘটনা বেগতিক দেখে পালিয়ে যায় জুয়েলের মালিকানাধীন নারায়ণগঞ্জ ছ – ১১-০১৯৪ লেগুনার চালক ।
প্রত্যাক্ষদর্শী অনেকেই জানান, বেপোরোয়া গতিতে আসা লেগুনা পিছন থেকে মটর সাইকেলে ধাক্কা দিলে এক নারী ছিটকে পরলে তার উপর আবারো চাপা দিয়ে পালানোর চেষ্টা করে লেগুনাটি । এরপর লোকজন ঘিরে ধরলে পালিয়ে যায় ড্রাইভার হেলপার ।
মরিয়ম আহত হওয়ার ঘটনায় জরুরী বিভাগের চিকিৎসক নাজমুল হোসেন জানান, মরিয়মের মাথার আহতটা মারাত্মক। সে অচেতন অবস্থায় রয়েছে । তাকে চিকিৎসা দিয়ে ঢাকা পাঠানো হবে ।
এ ঘটনায় জেলা ট্রাফিক পুলিশের ইন্সপেক্টর প্রশাসন তাসলিম হোসেন বলেন এ বিষয়ে আমার কাছে কোন তথ্য নাই । চাষাড়ার বিষয়টি তো দেখেন ইন্সপেক্টর শরফুদ্দিন তার কাছে তথ্য থাকতে পারে ।
ইন্সপেক্টর শরফুদ্দিন মুঠোফোনে বলেন, এমন ঘটনা আমার নলেজে নাই।
এমন অহরহ ঘটনার বিষয়ে চাষাড়ার অনেকেই মন্তব্য করে বলেন, এই লেগুনা দীর্ঘদিন যাবৎ শহরে অবৈধভাবে চালাচলের পামাপাশি একের পর এক দূর্ঘটনার ঘটনা চালাচ্ছেই । প্রায় ৫০/৫৫টি লেগুনার প্রায় সকল ড্রাইভারই শিশু কিশোর । শহরের একটি প্রভাবশালী পরিবহণ সিন্ডিকেট কোন আইনকে তোয়াক্কা না করে প্রশাসনের নাকের ঢগায় এবং প্রশাসনকে ম্যানেজ করে চালিয়ে যাচ্ছে এই অপকর্ম । এরা মানুষ মারলে কি হয় ? এদের টিকিটিও স্পর্শ করতে পারে না কেউ ।









Discussion about this post