এনএনইউ রিপোর্ট :
নানার বাড়ীতে বেড়াতে এসে নবম শ্রেণীর এক শিক্ষার্থী ধর্ষণের শিকারের ঘটনা শেষ পর্যন্ত গ্রেফতার হওয়া কেন্দ্রীয় কেরাণীগঞ্জ কারাগারের কারারক্ষি মৃদুল মিয়ার (২৩) সাথে শেষ পর্যন্ত রূপগঞ্জ থানায় বসে আপোষ মীমাংশা সম্পন্ন হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে । ধর্ষিতা শিক্ষার্থীর সাধে ধর্ষক মৃদুলের বিয়ে করেছে বলে ব্যাপক চাউর উঠেছে রূপগঞ্জ জুড়ে ।
ধর্ষনের ঘটনা আপোষ মীমাংশার পর সোমবার বিকেলে নারায়ণগঞ্জ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট ফাহমিদা আক্তারে আদালতে ধর্ষিতা শিক্ষার্থী ২২ ধারায় দেয়া জবানবন্দিতে জানায় মৃদুলের সাথে তার আগে থেকেই সম্পর্ক ছিলো এবং সেই মোতাবেক তাদের মধ্যে দৈহিক সম্পর্ক হয়েছে । এ ঘটনা উভয় পক্ষের আইনজীবীদের মাঝে সমাঝোতার কারণে এমনটি হয়েছে বলে চাউর হয়েছে নারায়ণগঞ্জ আদালত চত্তরে ।
নাম প্রকাশ না করার অনুরোধ করে কয়েকজন আইনজীবী বলেন, আমরা ঘটনাটি পরে শুনেছি । কি করে এমন বিয়ে হয় তা আমাদের মধ্যে বোধগম্য নয় ।
ধর্ষিতা শিক্ষার্থী ও তার পরিবারের বরাত দিয়ে রূপগঞ্জ থানা দারোগা লিটন মিয়া জানান, শুক্রবার বিকালে তারাবো হাটিপাড়া এলাকার শিক্ষার্থী তার মায়ের সঙ্গে ওয়াজ শুনতে ও বেড়াতে কায়েতপাড়া ইউনিয়নের ছাতিয়ান এলাকায় তার নানা ওহাব মিয়ার বাড়িতে আসেন। রাতে বাড়ির সকল লোকজন পাশ্ববর্তী ছাতিয়ান বেপারী পাড়া মসজিদের বাৎসরিক ওয়াজ মাহফিলে ওয়াজ শুনতে যান।
এ সুযোগে একই এলাকার লতিফ মিয়ার ছেলে ও কেরাণীগঞ্জ কারাগারের কারারক্ষি (ছুটিতে আসা) মৃদুল মিয়া (২৩), সোলেয়মানের ছেলে নিজাম মিয়া (২৪), গোলবক্স মিয়ার ছেলে ও ইয়াবা সম্রাট সিয়াম হোসেন (২২) ওই শিক্ষার্থীকে ঘর থেকে অস্ত্রের মুখে তুলে নির্জন স্থানে নিয়ে বখাটেরা দলবেধে ধর্ষণ করে।
অনেক খোঁজাখুজির পর অজ্ঞান অবস্থায় ধর্ষিতা শিক্ষার্থীকে পরিবারের লোকজন উদ্ধার করে। ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকাবাসী বখাটেদের ধাওয়া করলেও অপরাধীদের কাউকেই আটক করা যায় নাই ।









Discussion about this post