বিরূপ আবহাওয়ার মধ্যে অপরিশোধিত দুই হাজার টন চিনি নিয়ে চট্টগ্রাম থেকে নারায়ণগঞ্জে যাওয়া পথে উত্তাল সাগরে একটি লাইটারেজ জাহাজ ডুবে গেছে। তবে জাহাজের ১২ নাবিক অক্ষত আছেন।
এমন ঘটনায় ব্যবসায়ী মহলে মিশ্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে ৷ বিশাল পরিমাণ চিনি নিয়ে জাহাজ ডুবির ঘটনার নেপথ্যে ভিন্ন কোন অপকৌশল রয়েছে কিনা তা খতিয়ে দেখতে ইতিমধ্যেই ব্যাপক গুঞ্জন দেখা দিয়েছে ।
শনিবার (১৫ আগস্ট) সকালে নোয়াখালী জেলার হাতিয়া উপজেলার ঠেঙ্গারচরের কাছে জাহাজটি ডুবে যায় বলে জানিয়েছেন অভ্যন্তরীণ নৌ চলাচল কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) চট্টগ্রামের উপ-পরিচালক মোহাম্মদ সেলিম।
ডুবে যাওয়া এমভি সিটি-১৪ নামে জাহাজ এবং এতে থাকা প্রায় দুই হাজার মেট্রিকটন অপরিশোধিত চিনি সিটি গ্রুপের মালিকানাধীন বলে তিনি জানিয়েছেন।
বিআইডব্লিউটিএ’র কর্মকর্তা মোহাম্মদ সেলিম সারাবাংলাকে জানান, চট্টগ্রাম বন্দরের বর্হিনোঙ্গরে অবস্থানরত একটি মাদারভ্যাসেল থেকে অপরিশোধিত চিনি নিয়ে গত (শুক্রবার) রাত দেড়টার দিকে জাহাজটি নারায়ণগঞ্জের রূপসা ঘাটের উদ্দেশে রওনা দেয়। পথে হাতিয়া চ্যানেলের ডাউনে ভাসানচরের অদূরে ঠেঙ্গারচরের কাছে জাহাজটি প্রচণ্ড ঢেউয়ের মধ্যে পড়ে। এতে জাহাজের ওপরের হ্যাজ দিয়ে পানি ঢুকে যায়। তখন একপাশে রাখা চিনি গলে গিয়ে জাহাজটি কাত হয়ে যায়।
মোহাম্মদ সেলিম বলেন, ‘তিন নম্বর সিগন্যাল চলছে। সাগর খুব উত্তাল। এর মধ্যেই জাহাজটি নিয়ন্ত্রণ রাখতে পারেনি। ওপরের হ্যাজ দিয়ে পানি ঢুকে চিনি গলে জাহাজটি কাত হয়ে যায়। পরে ক্যাপ্টেন জাহাজটিকে আস্তে আস্তে নৌ চ্যানেল থেকে ২ নটিক্যাল মাইল উত্তর-পূর্বে ঠেঙ্গারচরের তীরের কাছে নিয়ে যায়। সেখানে জাহাজটি ডুবে গেছে। তবে এতে হাতিয়া চ্যানেলে জাহাজ চলাচলে কোনো সমস্যা নেই।’
ডুবে যাওয়া জাহাজের ১২ নাবিককে ওই পথ দিয়ে যাওয়া আরেকটি লাইটারেজ জাহাজ এমভি রূপসী-১ অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করে বলে জানান তিনি









Discussion about this post