নারায়ণগঞ্জে স্বেচ্ছাসেবক দলের পাঁচ থেকে ছয়জন নেতাকর্মীকে আটকের অভিযোগ উঠেছে।
বুধবার ২৫ আগষ্ট সকালে জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের কর্মীসভার প্রস্তুতি নেওয়ার সময় নগরীর মাসদাইর এলাকায় মজলুম মিলনায়তন থেকে তাদের আটক করে পুলিশ।
তবে এ ব্যাপারে জানতে চাইলে আটক ও অনুষ্ঠান পণ্ডের বিষয়টি অস্বীকার করে পুলিশ।
কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দলের সহসভাপতি ঢাকা বিভাগীয় প্রধান এ কে এম আবুল কালাম আজাদ বলেন, ‘বিএনপির চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট তৈমূর আলম খন্দকারের বাড়ির একটি অংশে মজলুম মিলনায়তন।
এখানে আজকে নারায়ণগঞ্জ জেলাধীন রূপগঞ্জ ও সোনারগাঁও উপজেলায় স্বেচ্ছাসেবক দলের কর্মীসভা ছিল। এখানে মৌখিক অনুমতিতেই কর্মীসভার সময় নির্ধারণ করা ছিল। আমরা যথারীতি অনুষ্ঠানে আসার জন্য রওনা দিয়েছি এবং খুব কাছাকাছি চলে গিয়েছিলাম। কিন্তু তার আগেই অনুষ্ঠানস্থলে পুলিশ হামলা করে এবং আমাদের পাঁচ-ছয়জন কর্মীকে আটক করে এবং সেখানে ভাঙচুর করে। পুলিশ ওই জায়গা বেরিকেড দিয়ে রাখে ফলে আমরা আর ঢুকতে পারিনি। এরপর আমরা সেখান থেকে চলে আসি। এখানেও আমাদের ছেলেরা দাঁড়াতে পারেনি। এখান থেকে জেলার ভাইস প্রেসিডেন্ট রূপগঞ্জের আলী আহমেদকে গ্রেপ্তার করা হয়। এরপর লাঠিপেটা করে ছত্রভঙ্গ করে দেওয়া হয়। আমরা জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের পক্ষ থেকে এই আটক ও কর্মকাণ্ডের তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি।’
ফতুল্লা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাকিবুজ্জামান স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাকর্মীদের আটক ও কর্মীসভা পণ্ডের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।









Discussion about this post