আড়াইহাজার প্রতিনিধি :
এবার জুয়া খেলার বিলুদ্ধে অভিযান চালাতে গিয়ে হামলার শিকার হয়েছে আড়াইহাজার থানার পুলিশ । জুয়ারীদের হামলায় এক পুলিশ সদস্যসহ আহত হয়েছেন অন্তত তিনজন। ভাংচুর করা হয়েছে পুলিশের গাড়ী ।
ঘটনাটি ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে জেলাজুড়ে।
জুয়ারীদের হামলায় পুলিশ আহত ও গাড়ী ভাংচুরের ঘটনায়, অনেকেই কঠোর সমালোচনা করে বলেন, নারায়ণগঞ্জের প্রভাবশালী চক্রের হোতারা প্রকাশ্যে জুয়ার আসর বসিয়ে প্রতিদিন লাখ লাখ টাকা আদায় করে আসছিলো । এদের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা এতোদিন গ্রহণ না করায় জুয়ারীসহ অপরাধী চক্র মাথাচারা দিয়ে উঠেছে । এবার জুয়ারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ায় অনেকেই নাকেখত দিয়েছে আবার অনেকেই উচু মাথা নিচু করে নিজেদের পিঠ রক্ষায় ব্যস্ত রয়েছে । এছাড়াও অনেক জুয়ারী চক্র যেমন তৎপর রয়েছে আবার অনেকেই এখনো আস্ফালন করে যাচ্ছে ।
ঘটনার বিবরণে আড়াইহাজার থানার এএসআই শরীফ জানান, কামরুলের বাড়িতে বাউল গানের আয়োজন করা হয়। তার আড়ালে জুয়ার আসর বসানো হয়েছে বলে খবর পাওয়া যায়। পরে ওসির হুকুমে কামরুলকে আটক করা হয়।
তিনি আরো জানান, এ সময় তাকে ছাড়িয়ে নিতে একদল লোকজন লাঠিসোটা নিয়ে প্রথমে পুলিশের বহনকারী সিএনজি ভাংচুর করে। হামলাকারীদের আঘাতে আহত হন কনস্টেবল রহমান, পুলিশের সোর্স সোহবান ও সিএনজির চালক। তাদের উদ্ধার করে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে।
এদিকে ব্রাহ্মনন্দী ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি পরিচয় দিয়ে কামরুল জানান, পুলিশের অনুমতি নিয়ে তার বাড়িতে গানের আয়োজন করা হয়।
রাত ১১টায় হঠ্যাৎ পুলিশের এএসআই শরীফ তার সঙ্গীয় র্ফোস নিয়ে আমাকে সিএনজিতে তুলে থানায় নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। পরে তার পরিবারের লোকজন পুলিশের কাছ থেকে তাকে ছাড়িয়ে নেয়।
আহতদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে । আহতরা হলেন পুলিশের কনস্টেবল রহমান, বৈলাকান্দি এলাকার সাবেদ আলীর ছেলে পুলিশের সোর্স সোহবান ও পুলিশকে বহনকারী সিএনসির চালক। এসময় সিএনজিটি ভাংচুর করা হয়। স্থানীয় ব্রাহ্মনন্দী ইউনিয়নের দহর মারুয়াদি এলাকায় সোমবার রাতে এই ঘটনা ঘটে।









Discussion about this post