এনএনইউ রিপোর্ট :
নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার গাবতলী এলাকায় মাস্তানী করতে যেয়ে ফুটবলার গাউসের ছেলে উৎস ( ১৭) অপর গ্রুপের ছুরিকাঘাতে আহত হয়েছে। একই ঘটনায় অপর পক্ষের তিন যুবক নিজাম, নাজিম, ও দিদার তাকে আহত করেছে উৎস বাহিনী। এমন ঘটনায় এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ক্রাইমজোন হিসেবে পরিচিত গাবতলীতে উত্তেজনা বিরাজ করছে ।
থমথমে এমন পরিস্থিতির কারণে ফতুল্লা থানার গাবতলী এলাকার আতংকিত অনেকের সাথে আলাপকালে জানা যায়, ফুটবলার গাউসের ছেলে উৎসের কবুতরের পাখা বাধা থাকায় তিন তলা বাসার ছাদ থেকে কবুতর টি ড্রাইভার জামালের বাড়ির চালে পড়ে যায়। উৎস কবুতর টি আনতে যায়। তখন জামাল ড্রাইভারের ছেলে নিজাম অভিযোগ করে তোর কবুতর বেধে রাখতে পারিস না। কয়েকদিন পরপরই বিরক্ত করিস। এটি বলার সঙ্গে সঙ্গে উৎস ছুরি বের করে মাস্তানী শুরু করে। এ সময় নাজিম, নিজাম ও দিদার মিলে উৎস কে ছুরিকাঘাত করে।
অবস্থা বেগতিক দেখে উৎস ড্রাইভার জামালের বাড়ি থেকে আহতাবস্থায় পালিয়ে যায়। খবর পেয়ে উৎসের বাবা গোলাম গাউস তাকে উদ্ধার করে ৩০০ শয্যা হাসপাতালে নিয়ে যায়। চিকিৎসক জানায় উৎস এর শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখম হওয়ায় ২৭ টি সেলাই দিতে হয়েছে ।
জামাল ড্রাইভার জানান, উৎস এলাকার একজন উঠতি মাস্তান। এক সপ্তাহ আগেও সুইস গিয়া চাকু দিয়ে একজনকে ছুরিকাঘাত করে জেলে খেটে এসেছে।
উৎস জানায়, কবুতর আনতে ড্রাইভার জামালের বাড়িতে গেলে তার উপর হামলা চালায় নাজিম ও দিদার।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, সম্প্রতি উৎস একই এলাকার এক ছেলেকে ছুরিকাঘাতে আহত করে কয়েকদিন জেল খেটে জামিনে বেরিয়ে আসে। বেরিয়ে এসেই সে আবারও এলাকায় মাস্তানী শুরু করে।
সম্প্রতি এলাকায় চাউর রয়েছে ফুটবলার গাউসের ছেলে উৎস তার বাবা ও চাচাকে ছুরিকাঘাত করেছে । ছাত্র হিসেবে উৎস খুব মেদাবী হলেও সম্প্রতি সে মাদকাশক্ত হয়ে পরেছে । অপরদিকে ড্রাইভার জামালের ছেলেদের মধ্যে এক ছেলে মাদকাশক্ত হয়ে পরায় এলাকায় নিজেকে বিশাল মাস্তান মনে করে । আর ফুটবলার গাউসের বিরুদ্ধে পূর্ব থেকেই নানা অভিযোগ থাকায় কারো পক্ষেই এলাকার সাধারণ মানুষ কথা বলতে সাহস করছে না ।
ক্ষোভ প্রকাশ করে অনেকেই আরো জানান, মূলতঃ গাউসের কারণে তার এমন মেধাবী ছেলে যেমন নষ্ট হয়ে যাচ্ছে ঠিক অপরদিকে ড্রাইভার জামালের কারনেও তার এক ছেলে মাদকাশক্ত হয়ে নানা অপকর্ম চালিয়ে ভীতিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি করছে ।









Discussion about this post