কোন ধরণের অনুমতি ছাড়াই ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তাদের যোগসাজাসে অবৈধভাবে পরিচালিত সেফটি ফাস্ট ফায়ার প্রটেকশন নামক অগ্নি নির্বাপক যন্ত্র তৈরী ও কার্বন ডাই অক্সাইড, ড্রাই পাউডার ব্যবহারকারী কারখানায় বৃহস্পতিবার ৭ই জানুয়ারি দুপুর ১টার দিকে শহরের জেলা পরিষদ সংলগ্ন চানমারির বিলাশ নগর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহত রফিকুল ইসলাম ওই এলাকার একটি গ্যাস সিলিন্ডারের দোকানে কর্মচারী ছিলেন। তার কর্মস্থলে এই বিস্ফোরণের ঘটনায় তার শরীরের বিভিন্ন অংশ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।
এই অবৈধ কারখানাটি ফায়ার সার্ভিস এর অসাধু কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের যোগসাজসে দীর্ঘদিন যাবৎ পরিচালিত করে আসছিলো নোয়াখালী জেলার মাইজদী থানার দপ্তীর হাট এলাকার রিয়াজের মালিকানাধীন অবৈধ এই কারখানায় কোন ধরণের নিরাপত্তা ছাড়াই কাজ কার্বন ডাই অক্সাইড ও ড্রাই পাউডারের ব্যবহার করতো রফিকুল ইসলাম ।
ঘটনাস্থলে ফতুল্লা মডেল থানার পুলিশ সদস্য ও ফায়ার বিগ্রেডের কর্মকর্তারা পরিদর্শন করছেন ।
বৃহস্পতিবার দুপুরে শহরের চাঁদমারী এলাকায় ‘সেফটি ফাস্ট ফায়ার প্রটেকশন’ দোকানে এই বিস্ফোরণ হয়।
নিগদ রফিকুল ইসলামের (৫০) বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলায় বলে পুলিশ জানিয়েছে।
ঘটনাস্থলে যাওয়া ফতুল্লা মডেল থানার ওসি আসলাম হোসেন সাংবাদিকদের বলেন, ‘সেফটি ফাস্ট ফায়ার প্রটেকশন’ নামের ওই দোকানে কার্বন ডাই অক্সাইড ভর্তি সিরিন্ডার (অগ্নিনিবার্পণ যন্ত্র) নতুন বিক্রি করা হয় এবং পুনভর্তি করা হয়।
“দুপুরে ওই দোকানে একটি সিরিন্ডার ভরতি করার সময় বিস্ফোরণে দোকান কর্মচারীর মাথায় লেগে মগজ বের হয়ে মৃত্যু হয়েছে।”
লাশ ময়নাতদন্তের জন্য নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে বলে তিনি জানান।
এই ব্যাপারে নারায়ণগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অফিসের উপ-সহকারী পরিচালক আব্দুল্লাহ্ আরেফিন সাংবাদিকদের জানান, অগ্নিনির্বাপণ যন্ত্রে সিলিন্ডারে কার্বন ডাই অক্সাইড গ্যাস নির্দিষ্ট চাপ ও তাপে ভরতি করতে হয়। ওই দোকানে সিলিন্ডারে গ্যাস ভরতি করার সময় বিস্ফোরণে দোকান কর্মচারীর মাথা উড়ে গিয়ে মৃত্যু হয়েছে।
তিনি আরও জানান, বিস্ফোরিত সিলিন্ডারটি অত্যন্ত পুরনো ও মেয়াদোত্তীর্ণ হওয়ায় ওই বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। গ্যাসের চাপে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে ।









Discussion about this post