নারায়ণগঞ্জ নিউজ আপডেট :
মাত্র কয়েক বছরের আগেও যিনি ছিলেন একটি দোকানের সামান্য সেলসম্যান, পেটের দায়ে চাকরী করে কোন মতে জীবন নির্বাহ করতো, সেই সামান্য সেলসম্যান এখন কোটি কোটি টাকার মালিক ! কি করে এমন পরিবর্তন তা কেউ না জানলেও ফতুল্লা থানা পুলিশের হাতে গ্রেফতার হওয়ার পর বেড়িয়ে আসছে নানা চাঞ্চল্যকর তথ্য ।
শহরের কালীরবাজার স্বর্ণপট্টিতে কার্তিক জুয়েলার্স, প্রিয়াংকা জুয়েলার্স সহ প্রায় ৬/৭টি জুয়েলারী দোকানের মালিক লক্ষন বর্মন কে ৯ মে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় নারায়ণগঞ্জ সদর থানা পুলিশের সহায়তায় ফতুল্লা থানা পুলিশের দারোগা খালেকুজ্জামান গ্রেফতার করলে শহরের ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয় । শহরের রাঘব বোয়ালরা শুরু করে তদ্বির ।
মামলার বিষয়ে খালেকুজ্জামান নারায়ণগঞ্জ নিউজ আপডেট কে আরো জানান, গত বছর ৬ সেপ্টেম্বর রাতে দারোগা জহিরের দাপা ইদ্রাকপুর আদর্শনগরস্থ বাসভবনে বৃদ্ধ মায়ের চোখে স্প্রে করে ডাকাতির ঘটনা ঘটায় । এ ঘটনায় মামলা দায়েরর পর দীর্ঘ তদন্তে পুলিশে আসামী গ্রেফতার করে জিজ্ঞাসাবাদ করলে আসামীরা জানায় মূলতঃ সারাদেশের চোরাই ও ডাকাতিকৃত স্বর্ণ কিনে রাখেন শহরের কালীরবাজার স্বর্ণপট্টির কার্তিক বর্মনের ছেলে লক্ষন বর্মন । কয়েক বছর যাবত এই চোরাকারবারীর ব্যবসা করে কোটি কোটি টাকার মালিক বনে গেছেন । নারায়ণগঞ্জ শহরের অর্ধ ডজন স্বর্ণ দোকান ছাড়াও বাড়ী, ফ্লাট, গ্রামের বাড়ী কুমিল্লায় বিশাল সম্পদের পাহাড়ও গড়ে তুলেছে এই লক্ষণ ও তার পরিবার ।
সন্ধ্যায় লক্ষণ বর্মন গ্রেফতারের পর তাকে ছাড়াতে ফতুল্রা থানায় স্বর্ণপট্টির কয়েকজন চোরাই কারবারী ও শেল্টারদাতারা লাখ লাখ টাকা নিয়ে ব্যাপকভাবে তদ্বির চালাচ্ছে বলে জোড় অভিযোগ উঠেছে ।
এ বিষয়ে জানতে ফতুল্লা থানার দারোগা খালেকুজ্জামান বলেন, মামলাটির সকল তথ্য উপাত্ত আমাদের হাতে পেয়েছি । লক্ষণ খুবেই ধূর্ত মানুষ ।









Discussion about this post