তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সংঘঠিত হামলা ও পাল্টা হামলার ঘটনায় এখনো বন্দর উপজেলার নবীগঞ্জ এলাকা থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে । যে কোন সময় আবারো বড় ধরণের অঘটন ঘটতে পারে বলেও আশংকা প্রকাশ করেছে এলাকার শন্তিপ্রিয় সাধারণ মানুষ ।
জানা যায়, গত ১৪ ফেব্রুয়ারী রোববার সকাল ১০টায় বন্দর থানার নবীগঞ্জ পূর্বপাড়া এলাকায় এ সন্ত্রাসী হামলার ঘটনাটি ঘটে।
হামলায় আহতরা হলো সিমান্ত (২০) আদনান (১৮) সাহেদ (১৮) নাহিদা বেগম (৪২) আম্বিয়া বেগম (৫৮) তালিম মিয়া (৬৫) ও আঙ্গুর (৪৫) ও সায়েম (১৮)। স্থানীয় এলাকাবাসী আহতদের জখম অবস্থায় উদ্ধার করে ঢাকাসহ বিভিন্ন হাসপাতালে প্রেরণ করেছে। এ ব্যাপারে উভয় পক্ষ বন্দর থানায় পৃথক দুইটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে।
এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, গত ১ মাস পূর্বে ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে বন্দর থানার নবীগঞ্জ পূর্বপাড়া এলাকার ওসমান মিয়ার ছেলে সিমান্ত ও একই এলাকার আবুল কালাম মিয়ার ছেলে আদনানের সাথে একই থানার নবীগঞ্জ কাবিলের মোড়স্থ নূরবাগ এলাকার আমির হোসেন ভুলু মিয়ার ছেলে সায়েম হোসেন ও তার বন্ধু সামস্ এর ঝগড়া হয়।
ওই ঝগড়া সূত্র ধরে গত রোববার সকালে ভূলু মিয়ার ছেলে সায়েমের নেতৃত্বে একই এলাকার সামস, ইয়াছিন ও রুপকসহ অজ্ঞাত নামা ৪০/৫০ যুবক ধারালো অস্ত্রসস্ত্রে সজ্জিত হয়ে নবীগঞ্জ পূর্বপাড়া হামলা চালায়। এলাকায় হামলার খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে হামলা কারীরা পালিয়ে যায়,তার কিছু খন পর কবিলের মোড় এলাকার চিহ্নিত সন্ত্রাসী আমীর হোসেন বুলু ও তার ছোট ভাই আঙ্গুর কবিলের মোড় এলাকা থেকে লোকজন নিয়ে এসে পূর্ব পাড়া এলাকাবাসীর উপর হামলা করে, পূর্ব পাড়া এলাকার মুরব্বিরা বুলু আর আঙ্গুরকে থামাতে চাইলে বুলু আর আঙ্গুর পূর্ব পাড়ার মুরব্বিদের মারতে শুরু করে এমনকি কদম রসুল ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ এর নেতা মরহুম আনছার আলী সাহেবের ছেলে মহানগর আওয়ামী লীগের সদস্য আমির হোসেন সহ এলাকাবাসী উপর এলোপাতাড়ি হামলা শুরু করে আর অকথ্য ভাষায় গালাগালী করতে থাকে আর আঙ্গুর বলে, ‘আমি গুন্ডা জন্ম দেই, আর বুলু আঙ্গুর গংরা ওই সময় দোকানপাট ও বাড়ী ঘর ভাংচুর করে।’
স্থানীয় এলাকাবাসী হামলাকারীদের বাধা দিলে ওই সময় উল্লেখিত হামলাকারীরা এলাকাবাসীর উপর ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে। এ ঘটনায় দুই মহিলা ও আওয়ামীলীগ নেতাসহ কমপক্ষে উভয় গ্রুপের ১০ জন আহত হয়।
সংবাদ পেয়ে বন্দর থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে। এ রির্পোট লেখা পর্যন্ত এ সংঘর্ষের ঘটনায় উভয় পক্ষের মধ্যে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে । মামলা হলেও পুলিশ তৎপর রয়েছে পরিস্থিতি শান্ত রাখতে এমন মন্তব্যও করেছেন এলাকার অনেকেই ।









Discussion about this post