তোরা যে যাই বলিস ভাই, আমার সোনার হরিণ চাই । অনেক ত্যাগ স্বীকার করে এবার এক পিছকে ছোকড়ার কাছে লজ্জা পেতে হবে ? এমন প্রশ্ন সামনে রেখে সংবাদকর্মীকে ঠেকাতে অন্যান্য সংবাদকর্মী ও জনপ্রতিনিধিরা মিলিত হয়ে জোড়লো চেষ্টার পর স্বস্তির সুবাতাস উপহার দিলেন সাইফ উল্লাহ বাদল কে।
এমন খবরে সেই বিজ্ঞাপনের ভাষায় কাশিপুর ইউনিয়নবাসী মন্তব্য করছেন, “নে বাবা এবার নাকে সর্ষের তেল দিয়ে ঘুমা !”
২২ অক্টোবর শুক্রবার নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার কাশিপুর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন থেকে সরে দড়োনোর পর এলাকার সকলেই বলেছিলেন এবার সাইফ উল্লা বাদলের স্বস্তির ঘুম আসবে। কিন্তু বিধি বাম। নির্বাচন করবেই এমন মনোভাব নিয়ে বেকে দাড়িয়ে রইলেন চরমোনাই পীরের দল ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী ওমর ফারুক । গতবার কৌশলে বাড়ির সামনে উপস্থিত হয়ে কঠোর অবস্থান নিয়ে নির্বাচন থেকে সহজেই সরিয়ে দিয়ে বিনা প্রতিদ্বন্ধিতায় চেয়ারম্যান হয়ে গত ৫ বছরে হাজারো বিতর্কের জন্ম দিয়েছেন বাদল ও তার বাহিনীর চেলা চামুন্ডাদের অনেকেই । একদিকে ডাকাত গিয়াস বাহিনী অপর দিকে টানবাজার পতিতাপল্লির দালাল আইয়ুব বাহিনী কর্মকন্ডে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে পুরো কাশিপুরবাসী। রাস্ট্রিয় সম্পদ গ্যাস চুরির মহোৎসব ছাড়াও এমন কোন কর্মকান্ড নাই, যেখানে সম্পৃক্ততার অভিযোগ নাই এই বাদল বাহিনীর । আর লাম্পট্যের অভিযোগ তো ভুড়ি ভুড়ি । এমন অসংখ্য অত্যাচরে অতিষ্ট হয়ে চরমোনাই পীরের দল ইসলামী আন্দোলনের হাতপাখার প্রার্থী ওমর ফারুক প্রার্থীতা বৈধতার পর পীরের দরবারে অবস্থান নেন কোন অবস্থাতেই যেন তাকে এবার নির্বাচন থেকে সরাতে না পারে। আর নির্বাচন থেকে সরাতে না পেরে এবার পৃথিবী থেকেই সরাতে চেষ্টা করেছে বলে থানার সামনে অনেকেই বিক্ষোভ করে এমন মন্তব্য করেছেন সাইফ উল্লাহ বাদলের বিরুদ্ধে
নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার ফতুল্লার কাশীপুরে আওয়ামীলীগের চেয়ারম্যান প্রার্থী সাইফউল্লাহ বাদলের ক্যাডার বাহিনীর হামলায় এবার রক্ত ঝরেছে।
আহত হয়েছে এ ইউনিয়নে চরমোনাই পীরের দল ইসলামী আন্দোলনের হাতপাখার প্রার্থী ওমর ফারুক সহ আরো কয়েকজন। হামলাকারীরা হাতপাখার ক্যাম্পে প্রবেশ করে এলোপাথাড়ি মারধর করে রক্তাক্ত করে।
শনিবার ৩০ অক্টোবর রাত ১০টার ওই ঘটনার পরে আশেপাশের লোকজন আহতদের উদ্ধার করে। রাতে ইসলামী আন্দোলনের নেতাকর্মীরা ফতুল্লা মডেল থানায় গিয়ে বিক্ষোভ করে ।
জানা গেছে, এবার কাশীপুর ইউনিয়নে হেভিওয়েট প্রার্থী ছিলেন মোমেন সিকদার যিনি সাবেক চেয়ারম্যান ছিলেন। তাকে এমপি শামীম ওসমান এবার নির্বাচন থেকে বসিয়ে দেন। পরে বাদলের গলার কাটা হয়ে দাঁড়ান ফটো সাংবাদিক রাশেদুল ইসলাম। তিনি মনোনয়ন পত্র সংগ্রহের পর রীতিমত রাতের ঘুম হারাম হয়ে যায় বিনা ভোটের চেয়ারম্যান বাদলের। চাররাত নির্ঘুমের পর আশেপাশের লোকজনের মধ্যস্থতায় নির্বাচন থেকে সরে আসেন রাশেদ। কিন্তু তবুও চিন্তা দূর হয়নি। বাদল চেয়েছিলেন ভোটে কেউ না থাকুক গত নির্বাচনের মত। কিন্তু বাধ সাধেন ইসলামী আন্দোলনের ওমর ফারুক। হুমকি চাপের পরেও তিনি নির্বাচন থেকে সরেনি।
ওমর ফারুক জানান, তিনি রাতে কাশীপুরের উত্তর নরসিংপুর ক্যাম্পে অবস্থান করছিলেন। ওই সময়ে সাইফ উল্লাহ বাদলের অনুগামী শতাধিক মটরসাইকেলে করে আসা লোকজন অতর্কিত হামলা করে। আমাদের ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে রক্তাক্ত করে।
এদিকে রাতে বিক্ষুব্ধ নেতাকর্মীরা ফতুল্লা মডেল থানায় গিয়ে বিক্ষোভ দেখায়। পরে পুলিশ সুষ্ঠু বিচারের আশা দিলে লোকজন চলে আসেন।
ফতুল্লা মডেল থানার ওসি রকিবুজ্জামান জানান, বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সাইফউল্লাহ বাদল সাংবাদিকদের কে জানান, তার কোন লোকজন এসব হামলায় জড়িত না। তাদের নিজস্ব কোন ঘটনায় এখন আমাদের উপর দোষ চাপাচ্ছে।









Discussion about this post