সে সময় সচিবালয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব কাজী জেবুন্নেছা বেগমসহ কয়েকজন কর্মকর্তা সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেওয়ার জন্য বসেন। ঠিক তখনই বিএসআরএফের সাধারণ সম্পাদক শামীম আহমেদ বলেন, সাংবাদিক রোজিনা ইসলামকে হেনস্তা করার ঘটনার প্রতিবাদে সাংবাদিকেরা এ সংবাদ সম্মেলন বর্জন করছেন।
শামীম আহমেদ বলেন, গতকাল সোমবার (১৭ মে) রোজিনা ইসলামকে হেনস্তা করার সময় সাংবাদিকেরা বারবার স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিবের বক্তব্য নেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু তিনি কোনো বক্তব্য দেননি।
শামীম আহমেদের এ ঘোষণার পর সভাকক্ষে উপস্থিত সাংবাদিকেরা একযোগে বেরিয়ে যান। তখন অতিরিক্ত সচিব কাজী জেবুন্নেছা বেগম অনেকটা হতবাক হয়ে তাকিয়ে ছিলেন এবং বার বার সাংবাদিকদের বসতে বলছিলেন। কিন্তু তার কথা কানে না নিয়ে সাংবাদিকরা সেখান থেকে সাংবাদিকরা বেরিয়ে যান।
এছাড়া বিএসআরএফের পরবর্তী কর্মসূচি আজকের কার্য নির্বাহী কমিটির জরুরি সভা থেকে ঘোষণা করা হবে বলেও জানান বিএসআরএফের সাধারণ সম্পাদক।
এর আগে এদিন সকালে বাংলাদেশ সেক্রেটারিয়েট রিপোর্টার্স ফোরাম (বিএসআরএফ) ও বাংলাদেশ হেলথ রিপোর্টার্স ফোরাম (বিএইচআরএফ) এই দুটি সংগঠনের পক্ষ থেকে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সংবাদ সম্মেলন বয়কটের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
প্রসঙ্গত, অনুমতি ছাড়া করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিনের সরকারি নথির ছবি তোলার অভিযোগে দৈনিক প্রথম আলোর জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক রোজিনা ইসলামকে পাঁচ ঘণ্টা আটকে রাখার পর শাহবাগ থানা পুলিশে সোপর্দ করে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।
এরপর মঙ্গলবার (১৮ মে) সকালে তাকে আদালতে হাজির করে পাঁচদিনের রিমান্ডের আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শাহবাগ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আরিফুর রহমান সরদার।
পরে রোজিনা ইসলামের রিমান্ড আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেয় আদালত। এরপর প্রিজন ভ্যানে করে তাকে গাজীপুর জেলার কাশিমপুর কেন্দ্রীয় মহিলা কারাগারে পাঠানো হয়।









Discussion about this post