অত্যান্ত বদ রাগী বাবুরাইল বউ বাজারের বিশাল সুদের কারবারী, স্বামীকে নির্যাতন করে তালাক দিয়ে কলেজ পড়ুয়া সন্তানকে রেখে ফের বিয়ে করাসহ নানা অপরাধের হোতা ভবন ধসে মূলে শিউলী আক্তার এখন রয়েছে পলাতক। নিজ বাড়ীর অনেকেই বলেছেন শিউলীর নানা অপরাধের বিষয়ে কেউ মুখ খুলতে সাহস করতো না । কারণ তার অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ আর পরের স্বামী সিদ্ধিরগঞ্জের বাসিন্দা নৌ বাহিনীতে চাকুরীরত থাকার কারণে এলাকায় ও নিজ বাড়িয়ে বিশাল প্রভাব বিস্তার করতো । আর বউ বাজারের বিশাল সুদের কারবার থাকায় সমিতির কর্তা রমজানের প্রভাব বিস্তারের কারণে কেউ মুখ খুলতো না শিউলীর বিরুদ্ধে । শিউলী এতটাই ভয়ংকর ভবন ধসের আগেও কেউট্টা বাড়ীর সকলেই সতর্ক করলে গালিগালাজ করে বাড়ীর লোকজনদের
নারায়ণগঞ্জ নিউজ আপডেট :
জেলার সদর উপজেলার বাবুরাইল তাতীপাড়াস্থ এইচ এম ম্যানসন ( কেউট্টা বাড়ীর) চার তলা ভবন ধসের ঘটনায় ভেতরে চাপা পড়ে দুই শিশু নিহতের ঘটনায় ভবন মালিকপক্ষের ৫ জনকে আসামি করে থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে ।
ওই ঘটনায় নিহত স্কুল ছাত্র শোয়েবের মামা রনি বাদী হয়ে ফতুল্লা মডেল থানায় মামলাটি দায়ের করেন।
মামলার আসামিরা হলন- ভবনের মালিক জেবউননেছা, তার তিন ছেলে আজহার উদ্দিন, বাবু, সুমন ও মেয়ে শিউলী আক্তার।
এদের মধ্যে জেবউননেছা বৃদ্ধা হয়ে পরায় চলাচল করতেও পারে না অন্যের সহায়তা ছাড়া । অন্যদিকে আজহারউদ্দিন ও বাবু মালয়েশিয়া প্রবাসী। বাকি আসামি সুমন মাদক ব্যবসা চালিয় আসছে দীর্ঘদিন যাবৎ । সুমন ও শিউলী আক্তার তাদের পরিবার নিয়ে পলাতক রয়েছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।
তবে তাদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে বলে জানান ফতুল্লা থানার ওসি আসলাম হোসেন।
এদিকে ঘটনার ৪৬ ঘন্টা পর ভবনে চাপা পড়ে নিখোঁজ ওয়াজিদের (১২) লাশ উদ্ধার করেন দমকল বাহিনীর উদ্ধারকর্মীরা। মঙ্গলবার (৫ নভেম্বর) দুপুর ২টার দিকে লাশ উদ্ধার করা হয়। বাদ মাগরিব কাশীপুর কেন্দ্রীয় ইদগাহে জানাযা শেষে সংলগ্ন কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে ।
গত রোববার (৩ নভেম্বর) বিকেল সোয়া চারটায় ফতুল্লা থানাধীন বাবুরাইলের শেষ মাথায় মুন্সিবাড়ি এলাকার এইচএম ম্যানশন (কেউট্টা বাড়ী ওরফে বড় বাড়ী )’র চার তলা ভবনটি ধসে পড়ে। ঘটনার পরপরই উদ্ধারকৃত শোয়েব (১২) নামে এক স্কুলছাত্র নিহত হয়। এ ঘটনায় আরও ৩ জন আহত হয়।
বাবুরাইল এলাকার মৃত শাহাবউদ্দিনের ছেলে শোয়েব ও একই এলাকার বাসিন্দা মো. রুবেলের ছেলে ওয়াজিদ সম্পর্কে খালাতো ভাই। তারা দেওভোগের বেপাড়ীপাড়া এলাকার সানরাইজ মডেল স্কুলে ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্র ছিল। ঘটনার দিন বিকেলে তারা ওই ভবনে আরবি পড়তে গিয়েছিল।
ফতুল্লা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আসলাম হোসেন বলেন, ভবন ধসে হতাহতের ঘটনায় থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। নিহত শোয়েবের মামা বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেছেন। দুর্বল নির্মাণশৈলী ও অপরিকল্পিতভাবে ভবনটি নির্মাণ করা হয়েছে যার ফলে ভবনটি ধসে পড়েছে এবং এই হতাহতের ঘটনা ঘটেছে এমন অভিযোগ এনে ভবনের মালিকপক্ষের ৫ জনকে আসামি করা হয়েছে। আসামিদের কাউকে এখনও গ্রেফতার করা সম্ভব হয়নি। তবে তাদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।
বিক্ষব্ধ এলাকাবাসী ও নিহতদের স্বজনরা জানান, এতা করে লোর পরও কারো কোন কতা কর্ণপাত না করায় এবং শিউলীর অতি লোভের কারণেই আজ দুটি শিশু অকালে প্রাণ হারালো । শিউলী ও এই বাড়ীর অন্যান্যদের পাওয়া গেলে গণপিটিুনীর হুমকিও দিচ্ছে এলাকার লোকজন ।









Discussion about this post