‘আমি ব্যাংকার। কাজ করে ভাত খাই। সকালে ব্যাংকে যাই রাতে বাসায় ফিরে আসি। আমার কোন ভাই অপরাধের সাথে জড়িত নয়। রাজনীতি করি তবে কোন সন্ত্রাসী গ্রুপ লালন পালন করিনা। আমার কোন বাহিনী নাই।
ফতুল্লা থানা আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারন সম্পাদক এইচএম ইসহাক প্রতিবেদকের সাথে মুঠোফোনে এসব কথা বলেন।
তবে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উঠে আসা বেশ কিছু ছবি বলছে ভিন্ন কথা। ছবিগুলোতে দেখা যায় নন্দলালপুর, নয়ামটি এলাকার মূর্তিমান আতংক গণধর্ষণ, ছিনতাই, মারামারি সহ বহু সংখ্যক মামলার আসামী কিশোর গ্যাং লিডার স্বাধীনের সাথে বিভিন্ন লোকেশনে, বিভিন্ন অনুষ্ঠানে ফতুল্লা থানা আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারন সম্পাদক এইচএম ইসহাকের ছবি।
এ বিষয়ে স্থানীয় একাধিকজন জানান ছাত্রলীগ থেকে আওয়ামীলীগে অবস্থান করে নেওয়া এইচএম ইসহাক হচ্ছে নন্দলালপুর, নয়ামাটি, নাককাটা বাড়ি, ভাবির বাজার, মেডিকেল রোড সহ আশপাশ এলাকার মুকুটহীন সম্রাট।
তথ্য মতে, স্বাধীনের নেতৃত্বে রয়েছে প্রায় ২০ থেকে ২৫ জনের একটি সন্ত্রাসী বাহিনী যার অধিকাংশ সদস্যই হচ্ছে কিশোর। এই বাহিনীর সদস্যরা নন্দলালপুর, রেল লাইন, প্রাপ্তি সিটি জুড়ে কায়েম করেছে ত্রাসের রাম রাজত্ব। মাদক ব্যবসা, ছিনতাই, চাঁদাবাজী, ইভটিজিং, জবর দখল সহ এহেন কোন অপকর্ম নেই যে যা তারা করেনা।
সাম্প্রতিক সময়ে একটি ছিনতাইয়ের ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্বাধীন বাহিনীর সাথে এক রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে নন্দলালপুর মেডিকেল রোডের সাদ্দাম বাহিনীর সাথে। এ সময় উভয় গ্রুপের সন্ত্রাসীরা ধারালো অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পরে।









Discussion about this post