ষ্টাফ রিপোর্টার :
নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডাক্তার সেলিনা হায়াৎ আইভীর বাড়ীতে মন্ত্রীর পাশাপাশি নারায়ণগঞ্জ জেলায় দায়িত্বরত কোন পুলিশ সুপার এই প্রথম আমন্ত্রিত অতিথি হয়ে উপস্থিত হওয়ায় জেলার রাজনৈতিক অঙ্গনে মিশ্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে । মন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী, পুলিশ সুপার হারুন অর রশিদ, জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি আবদুল হাইসহ অনেক নেতাকর্মীদের উপস্থিতিতে ছিলো দেওভোগস্থ মেয়র আইভীর বাড়ী ছিলো নেতাকর্মী, কর্মকর্তাদের মিলন মেলা।
এমন অনুষ্ঠানে অনেকেই উপস্থিত থাকলেও জেলা প্রশাসক ও সংসদ সদস্যগণ উপস্থিত না থাকায় আলোচনা সমালোচনা চলছে শহরজুড়ে।
বুধবার দুপুরে নারায়ণগঞ্জ পৌরসভার প্রথম চেয়ারম্যান আলী আহম্মদ চুনকার মৃত্যু বার্ষিকী উপলক্ষ্যে প্রতি বছরের মতো এবারো নানা আয়োজনে নিমত্রণ করা হয় জেরা আওয়ামীলীগ নেতাকর্মীসহ সকল ভক্তবৃন্দদের । ঐতিহ্যগতভাবেই মধ্যাহ্নভোজের অনষ্ঠানে মাটির পাত্রে আপ্যায়িত করা হয়ে থাকে অথিথিদের ।
এমন অনুষ্ঠানে প্রয়াত নেতা চুনকা পরিবারের পক্ষ থেকে মেয়র সেলিনা হায়াৎ আইভী সকলের সাথে কুশল বিনিময় করে থাকেন ।
এবারের এই অনুষ্ঠানের আয়োজনে ছিলো ভিন্ন মাত্রা । বস্ত্র ও পাট মন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী, জেলা পুলিশ সুপার হারুন অর রশিদ, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) রেজাউল বারী, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) মাসুম বিল্লাহ্, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) মনিরুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিবি) নূরে আলম, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুল হাই, জেলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি আব্দুল কাদির, এড. আসাদুজ্জামান আসাদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম, দপ্তর সম্পাদক এম এ রাসেল, চুনকা পুত্র জেলা যুব লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আলী রেজা রিপন ও মহানগর যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক আলী রেজা উজ্জলসহ অনেক নেতাকর্মী উস্থিত ছিলেন ।
এমন মিলন মেলা শেষে শহরজুড়ে অনেকেই আলোচনা সমারোচনা করে বলেন, একটি সুয়োগ ছিরো আজ বুধবার । মেয়রের সাথে জেলা আওয়ালীমীগের অনেক নেতাদের অেভ্যন্তরীন রাজনৈতিক বিরোধ আজ মীমাংশা হওয়ার সুযোগ ছিলো । মন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী ও পুলিশ সুপার হারুন (কোন পুলিশ সুপার এই প্রথম) আইভীর প্রয়াত বাবা ও জেলা ও শহর আওয়ামীলীগের সাবেক সভাপতি আলী আহমেদ চুনকা এর মৃত্যু বার্ষিকী উপলক্ষ্যে জেলার সকল নেতা ও কর্মকর্তাগণ উপস্থিত হলে নারায়ণগঞ্জবাসীর জন্য আজকের দিনটি হতো আনন্দের ।
আজো পর্যন্ত কোন জেলা প্রশাসক নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের মেয়রের দপ্তর কিংবা বাসভবনে উপস্থিত হন নাই । এমন কি গত বছর আহত হয়ে মেয়র আইভী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকাবস্থায়ও ডিসি এসপি কেউ সহানুভুতি দেখাতে যান নাই । এবার সুযোগটি ছিলো কারণ নারায়ণগঞ্জে এবার মন্ত্রী দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামীলীগ নেত্রী শেখ হাসিনা। অভ্যন্তরীন কোন্দল নিরসনের এই সুযোগটি জেরা প্রশাসকসহ নারায়ণগঞ্জের নেতারা উপস্থিত হলে জেরাবাসীর মুখে হাসি ফুটে উঠতো । আর স্বার্থান্বেষী মহলের মুখে পরতো চুনকালী ।
অপরদিকে আওয়ামীলীগের অনেক নেতা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, মেয়র আইভীর আন্তরিকতা যদি থাকতো তবে নিজেই সকলের কাছে উপস্থিত হয়ে আমন্ত্রণ জানানো হলে বরফ গলতো জেলা আওয়ামীলীগের অভ্যন্তরীন কোন্দলের । বিগত সময়ে নারায়ণগঞ্জের রাজনীতিতে উভয় পক্ষের গোয়ার্তুমির কারণে নারাযণগঞ্জবাসী নানাভাবে বঞ্চিত হচ্ছে নানাক্ষেত্রে।









Discussion about this post