এনএনইউ রিপোর্ট :
নারায়ণগঞ্জ শহরের ৫ নং ঘাট এলাকার আবদুল্লাহর চোরাই তেলের আস্তানায় অভিযান চালিয়েছে র্যাব । র্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে চোরাই চক্রের আরও দুই সদস্য মো. দুলাল (৪৫) ও মো. আব্দুল খান (৬৫) কৌশলে পারিয়ে গেলেও আটক হয় তেল চোর চক্রের ৬ সদস্য।
র্যাবের অভিযান পরিচালনা করে ৪ হাজার ৬২০ লিটার চোরাই ডিজেল তেল উদ্ধারসহ ৬জনকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১।
শুক্রবার (১৭ মে) রাত দেড়টা থেকে রাত ৩টা পর্যন্ত সদর মডেল থানার শীতলক্ষ্যা নদীর ৫নং ঘাট এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে আবুল হোসেন (৪৫), মো. মাসুম গাজী (৩৭), মো. আলাল মিয়া (৬০), মো. মজিবুর রহমান (৫৫), আব্দুল বারেক (৫২) ও মো. ফয়সাল (২০) নামের ৬ তেল চোরকে গ্রেফতার করে র্যাব-১১।
শীতলক্ষ্যা নদীর ৫নং ঘাট এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে ২১টি তেলের ড্রামে প্রতিটি ড্রামে ২২০ লিটার করে সর্বমোট ৪ হাজার ৬২০ লিটার চোরাই ডিজেল তেল উদ্ধার করা হয় এবং চোরাই কাজে ব্যবহৃত ১৯টি খালি ড্রাম ও ০১টি ইঞ্জিন চালিত নৌকা উদ্ধার করা হয়। যার আনুমানিক মূল্য তিন লক্ষ টাকা। এ সময় চোরাই চক্রের ৬ সদস্যকে গ্রেফতার করে র্যাব-১১।
র্যাব-১১ এর সহকারী পুলিশ সুপার মোস্তাফিজুর রহমান স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।
র্যাব জানায়, চোরাই চক্রটি দীর্ঘদিন ধরে ৫নং ঘাট এলাকায় শীতলক্ষ্যা নদী দিয়ে চলমান বিভিন্ন জাহাজ হতে সুকৌশলে তেল চুরি করে চোরাই তেলের ব্যবসা করে আসছে। তাদের এই চোরাই তেল ঢাকার বিভিন্ন তেল ব্যবসায়ীদের কাছে সরবরাহ করত।
র্যাব আরও জানায়, গ্রেফতারকৃত ও পলাতক আসামীদের বিরুদ্ধে সদর মডেল থানায় আইনানুগ কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন।
এ ছাড়াও স্থানীয় প্রশাসনের অনেক কর্মকর্তাদের ভাষ্য থেকে আরো জানা যায়, এক সময়ের হোটেল বয় আবদুল্লাহ শীতলক্ষা নদী থেকে এই তেল চুরির কারবার করে নারায়ণগঞ্জ শহরে একাধিক বাড়ী, গাড়ী ও বিশাল সম্পদের মালিক বনে গেছেন অসাধু পুলিশ কর্মকর্তাসহ আেইনশৃংখলা বাহিনীর অনেকের ছত্রছায়ায় । এ ছাড়াও বিশেষ পেশার অনেকেই এই অনৈতিক কারবার তেকে নিয়মিত মাসোয়ারা গ্রহণ করায় আবদুল্লাহ ও দুলালসহ অনেকেই বীরের বেশে এই নগ্ন কারবার চালিয়ে যাচ্ছে বছরের পর বছর জুড়ে ।
অনেকেই আরো ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, র্যাবের অভিযানের পর কিছুদিন হয়তো আবার এই চোরাই কারবার বন্ধ থাকবে এরপর আবার যেই রাউ সেই কদু !









Discussion about this post