দীর্ঘদিন যাবৎ নারাযণগঞ্জ শহরের চাষাড়া থেকে মন্ডলপাড়া পুরো বঙ্গবন্ধু সড়কে এবং শহরের ডনচেম্বার থেকে কালীরবাজার , ১ নং রেল গেইট, ২নং রেল গেইট, টানবাজার, শীতলক্ষ্য নদীর ওয়াকওয়েতে প্রতিনিয়তঃ কখনো পুলিশ কখানো র্যাব আবার সরাসরি নিজেদেরকে ছিনতাইকারী পরিচয় দিয়েই অহরহ ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটিয়ে চলেছে অপরাধীরা । কোন অবস্থাতেই থামনো যাচ্ছে না এই ছিনতাইকারী চক্রদের কে । নগরীর ক্রামইমজোন জিমখানা বস্তি, দেওভোগ বাবুরাইল, ভূইয়াপাড়া, কাশিপুর, বেপাড়ীপাড়াসহ আশেপাশের প্রায় ৫০/৫৫ জন ছিনতাইকারী কাকডাকা ভোর থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত ২/৩ জনের দল তৈরী করে নিয়মিত ছিনতাই কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে ।
এমন অপকর্ম করতে গিয়ে খোদ নগরীর ক্রাইমজোন হিসেবে পরিচিত জিমখানা এলাকার শান্তা বেগমের বাসায় নিজেদেরকে র্যাব পরিচয় দিয়ে তল্লাশীকালে হাতেনাতে আটক হয়েছে ৩ ভুয়া র্যাব সদস্য পরিচয় দানকারী অপরাধী । তিন জন এমন অপরাধী গ্রেফতার হলেও এখনো শহরে দাবরিয়ে রেড়াচ্ছে আরো অর্ধ শতাধিক সক্রিয় ছিনতাইকারী । যাদের মূল পেশাই হচ্ছে ছিনতাই ।
শনিবার (৩১ জুলাই) রাত সাড়ে ১১টায় শহরের নতুন জিমখানা এলাকা থেকে তাদের আটক করে নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানা পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়।
জানা যায়, শনিবার রাত সাড়ে ১১টার সময় ফতুল্লা মডেল থানার মাসদাইর (আমান ভবন) এলাকার আমান উল্লাহর ছেলে মোঃ রাতুল (২২), একই থানার ইসদাইর বাজার এলাকার মৃত আব্দুস সোবহান এর ছেলে মোঃ রুবেল (৩০) ও নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানার আলীর টেক এলাকার আমান উল্লাহর ছেলে জুয়েল (৩৫) মিলে নিজেদের র্যাব-১১ এর সদস্য পরিচয় দিয়ে নতুন জিমখানা এলাকায় রাব্বির বাসায় শান্তা বেগমের বাসায় তল্লাশী চালায়।
এ সময় শান্তা বেগমের সন্দেহ হলে এলাকাবাসীর সহযোগিতায় তাদের আটক করে উওম মাধ্যম দিয়ে নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানা পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়।
পরে পুলিশ আটককৃতদের গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে যায়। শান্তা বেগম মৃত সোবহান মিয়ার ছেলে রাব্বি মিয়ার স্ত্রী । গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। আজ রোববার গ্রেফতারকৃতদেরকে ৭ দিনের রিমান্ডের আবেদন জানিয়ে আদালতে প্রেরন করা হয়েছে।









Discussion about this post