এনএনইউ রিপোর্ট :
প্রায় ১১ বছর অপেক্ষার পর সন্তান হত্যার বিচার হলেও আসামী হত্যাকান্ডের পর থেকে আজো অব্দি রয়েছে পলাতক। সেই ঘাতক সোলায়মানের বিরুদ্ধে নারায়ণগঞ্জ দ্বিতীয় অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ রাশিদা সুলতানা মৃত্যুদন্ডের আদেশ দিয়েছেন।
বৃহস্পতিবার ২৪ জানুয়ারি দুপুর ১২টায় বন্দর থানায় দায়ের করা খালেদা আক্তার শান্তনা ওরফে এ্যানি হত্যা মামলায় পলাতক একমাত্র আসামী সোলায়মানের মৃত্যুদন্ডের আদেশ দেন।
আদালতের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) এডভোকেট জেসমিন আহমেদ জানান, ২০০৩ সাালে পারিবারিকভাবে সোলেমান ও খালেদা আক্তার শান্তনা ওরফে এ্যানির বিয়ে হয় । তাদের সংসারে ছেলে মিতুল ৮ মাস থাকাবস্থায় সোলায়মান দাম্পত্য কলহের জের ধরে ২০০৭ সালের ১৯ নভেম্বর রাতে সোলেমান গলাটিপে খালেদাকে হত্যা করে।
স্ত্রী খালেদা আক্তার শান্তনা ওরফে এ্যানিকে হত্যার পরে সকালে বিছানা ও কাঁথা তার গায়ের উপর রেখে শিশু সন্তানকে নিয়ে বাড়িওয়ালা বিউটির কাছে স্ত্রী নিখোঁজ বলে শিশুকে রেখে খুঁজতে বের হন। এরপর সোলায়মান পালিয়ে গিয়ে তার শ্বশুড় ও এ্যানির বাবা মো. শহিদুল্লাহকে ফোনে জানান তার মেয়ের লাশ বাসায় পরে আছে।
নিহতের বাবা শহিদুল্রাহ বন্দর উপজেলার কদম রসূল কলেজের পাশে ফরিদ আহমেদ মজুমদারের ভাড়া বাড়িতে গিয়ে মেয়ের লাশ দেখতে পান। বন্দর থানা পুলিশ ঘর থেকে মরদেহ উদ্ধার করে মামলা দায়ের করে। মামলার বাদী হন এ্যানির বাবা শহিদুল্লাহ।
আদালত আজ বৃহস্পতিবার ঘাতক স্বামী সোলায়মানের ফাঁসির আদের দিলে, মামলার বাদী ক্ষোভ প্রকাশ করে গণমাধ্যমকে জানান, আমাের মেয়েকে হত্যার পর সোলায়মান সৌদি আবর পালিয়ে যায়। আজো পর্যন্ত তাকে আটক করা যায় নাই । আমি চাই সোলায়মানকে দেশে ফিরিয়ে এনে এই রায় কার্যকর করা হউক । তাহলেই আমার মেয়ের আত্মা শান্তি পাবে ।









Discussion about this post