সোনা চোরাচালনা মামলায় নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার থানার হাইজাদী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আলী হোসেন ভুঁইয়ার (৫০) বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত।
মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) ঢাকা সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতের বিচারক কে এম ইমরুল কায়েশ এ আদেশ দেন। সোনা চোরাচালনা মামলার আসামি হয়েও গত ছয় বছর গ্রেফতার এড়িয়ে ছিলেন এই চেয়ারম্যান।
একই আদেশে জড়িত পলাতক আরও ৯ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়।
মামলার অভিযোগে বলা হয়, ২০১৪ সালের ২২ আগস্ট হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে মালেশিয়ার কুয়ালামপুর থেকে আসা বিজি-৮৭ ফ্লাইটের যাত্রী নারায়ণগঞ্জ জেলার সোনারগাঁও থানার বড় আলমদি গ্রামের বাসাদ মিয়ার ছেলে মোহাম্মাদ আল আমীনের (২৫) কাঁধে থাকা ব্যাগ তল্লাশি করে সাত কেজি তিনশ গ্রাম ওজনের সোনার বার উদ্ধার করে শুল্ক গোয়েন্দারা।
এই ঘটনায় সোনা চোরাচালানের অভিযোগে বিশেষ ক্ষমতা আইনে একটি মামলা দায়ের করেন সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা মো. মাহফুজুর রহমান।
তদন্তের পর ডিএমপির হিউম্যান ট্রাফিকিং অ্যান্ড স্মাগলিং টিমের পুলিশ পরিদর্শক মো. মনিরুজ্জামান চেয়ারম্যান মো. আলী হোসেনসহ ৮ জনকে অভিযুক্ত করে চার্জশিট দেন। এর মধ্যে চেয়ারম্যান মো. আলী হোসেন ও অপর এক আসামীকে পলাতক এবং বাকি আসামিদের গ্রেফতার দেখানো হয়।
মোট ১৬ জন আসামির নাম প্রকাশ পেলেও আট জনকে অভিযুক্ত করে চার্জশিট দাখিল করায় ঢাকার সিনিয়র বিশেষ জজ আদালত ২০১৭ সালের ৯ মার্চ সিআইডির কাছে মামলাটি অধিকতর তদন্তের জন্য প্রেরণ করেন।
সিআইডির সহকারী পুলিশ সুপার মো. জহিরুল ইসলামও চেয়ারম্যান মো. আলী হোসেনকে আসামি করে চলতি বছরের ৭ জুলাই আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। কিন্তু অজ্ঞাত কারণে তাকে গত ছয় বছরেও গ্রেফতার করা হয়নি ।









Discussion about this post