ফতুল্লার মাসদাইরে গার্মেন্ট কমী আমান আলী (১৭) হত্যা মামলার প্রধান আসামী আশরাফুলকে (১৯) গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১ এর একটি টিম।
বৃহস্পতিবার (৩ ফেব্রুয়ারি) মহানগরের সিদ্ধিরগঞ্জ থানার চৌধুরীবাড়ি থেকে সকালে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। এর আগে বুধবার রাতে আমানের মা জয়গুন নাহার বাদী হয়ে আটজনের নাম উল্লেখ সহ অজ্ঞাতনামা আরো দুই থেকে তিনজনকে আসামী করে ফতুল্লা মডেল থানায় মামলা দায়ের করে।
মামলার অপর আসামীরা হলো জীবন (১৮), মো. রাসেল (১৯), আব্দুল হাকিম (১৯), আনিস (১৮), সৌরভ ওরফে হৃদয় (১৮), আব্দুল ছালাম ওরফে স্বাধীন (১৯), আশিক (১৮)।
এজাহারনামীয় আট আসামীর মধ্যে হত্যাকান্ডের পরপর জড়িত থাকার সন্দেহে পুলিশ রাসেল, হাকিম, আনিস, হৃদয়, ছালাম ও আশিক কে গ্রেফতার করে আদালতে ৫৪ ধারায় প্রেরণ করে।
মামলায় উল্লেখ করা হয় যে, ২৮ জানুয়ারী গার্মেন্ট বন্ধ থাকায় নিহত আমান আলী বন্ধু আশরাফুল ও জীবনের সাথে বিকেল চারটায় নিজ বাসা থেকে বের হয়ে তারা মাসদাইর পুলিশ লাইন সংলগ্ন কেতাবনগর এলাকায় গিয়ে আরো বন্ধুদের সাথে একত্র হয়ে আড্ডা মারে। রাত পৌনে আটটার দিকে বাসায় ফেরার সময় পথিমধ্যে আশরাফুল ও জীবনের সাথে কোন এক বিষয় নিয়ে বাক বিতন্ডতার সৃষ্টি হয়। এসময় আশরাফুল, জীবন সহ অপর আসামীরা আমান আলীকে উপর্যুপরি ছুরিকাঘাত করে। আহতবস্থায় বাসায় গিয়ে আমান আলী বাদীকে বিস্তারিত জানায়। প্রথমে আমান আলীকে শহরের জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে সেখানে আমান আলী মৃত্যুবরণ করে।
ফতুল্লা মডেল থানার ইনচার্জ রকিবুজ্জামান জানান, মামলায় যাদেরকে আসামী করা হয়েছে মামলা দায়েরের পূর্বেই এজাহারনামীয় ছয় জনকে গ্রেফতার করে আদালতে ৫৪ ধারায় প্রেরন করা হয়েছে। এখন তাদের কে হত্যা মামলায় শ্যোন এরেস্ট দেখিয়ে রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। এজাহারনামীয় প্রধান আসামীকে র্যাব-১১’র সদস্যরা গ্রেফতার করে বৃহস্পতিবার ফতুল্লা মডেল থানায় সোপর্দ করেছে। এজাহারনামীয় পলাতক আসামী জীবনকে গ্রেফতারের অভিযান অব্যহাত রয়েছে।









Discussion about this post