ফতুল্লায় দুই কেজি গাজাঁসহ গ্রেফতারের ২০দিন অতবাহিত হতে না হতেই আদালত থেকে জামিনে বেরিয়ে এসে আবারো মাদক ব্যবসায় সক্রিয় হয়েছে আলোচিত মাদক ব্যবসায়ী মাদক সম্রাজ্ঞী শিরিন আক্তার ওরফে লাকী।
তিনি ফতুল্লার শিয়াচর ইয়াদ আলী মসজিদের ফাহিমের স্ত্রী।
শিরিন আক্তার ওরফ লাকী ফতুল্লার মাদক বাজারের এক আলোচিত নাম। মাদক বাজারে রয়েছে তাদের পরিবারের বিশাল প্রভাব। তার স্বামী এক সময় ফেনসিডিল ব্যবসার সাথে জড়িত থাকলেও বর্তমানে ফেনসিডিলের মূল্য বৃদ্ধি পাওয়ায় এবং চাহিদা কমে যাওয়ায় গোটা পরিবারের সদস্যরা বেশ কয়েক বছর ধরে গাঁজা ও ইয়াবা ট্যাবলেটের ব্যবসায় জড়িয়ে পরেছে। শুধু জড়িয়ে পরা নয় মাদক বাজারে তাদের গোটা পরিবারের অবস্থান বেশ উপরি ভাগে। লাকী বেগমের মা খুব ধরন্ধর মহিলা। মাদক বহনের হাজারো কৌশল তার জানা। তারপরও মাদক সহ পুলিশে হাতে তাকে গ্রেফতার হতে হয়েছে সাত থেকে আটবার। অপরদিকে লাকী কে গ্রেফতার হয়েছে ১০-১১ বার। লাকীর ভাই মাসুমের বিরুদ্ধে ও রয়েছে একাধিক মাদক মামলা এমনকি ছেলে ও স্বামীর বিরুদ্ধে ও রয়েছে মামলা।
এই মাদক ব্যবসায়ী পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে স্থানীয় পাঁচটি মসজিদের মুসিল্লিরা বেশ কয়েক বছর পূর্বে একত্রিত হয়ে থানায় সংবাদ দিয়ে পুলিশ ডেকে এনে তাদের কে মাদক সহ পুলিশের হাতে তুলে দেয় এবং গোটা পরিবার কে এলাকা থেকে তাড়িয়ে দেয়। বেশ কয়েক বছর এলাকার বাইরে থাকলেও আবারো তারা নিজ এলাকায় ফিরে এসে মাদক ব্যবসা শুরু করেছে। মাদক ব্যবসায়ী এই পরিবারের নিকট থেকে নগদ অর্থের সুবিধা নিয়ে পরোক্ষ এবং প্রতক্ষ্য ভাবে সহোযোগিতা করে আসছে বিশেষ পেশায় নিয়োজিত স্থানীয় একাধিকজন। এদের বিরুদ্ধে সংবাদ পরিবেশন করলে মামলা প্রদানের হুমকি দিতেও পিছপা হোন না।এমনকি পুলিশের বিরুদ্ধেেও তারা অভিযোগ দিতেও কার্পন্য করেন না। যে পুলিশ কর্মকর্তা এই লাকী বা তাদের পরিবারের সদস্যদের গ্রেফতার করে তার নিকট থেকে অনৈতিক সুবিধা গ্রহনে ব্যর্থ হলে প্রশাসনের উপরি মহলে লিখিত অভিযোগ দায়ের করার ও অভিযোগ পাওয়া গেছে।
স্থানীয়রা জানান, লাকীর পুরো পরিবার মাদক ব্যবসার সাথে জড়িত। লাকী এবং তার মা নিজেই স্কুল ব্যাগে করে গাঁজা বহন করে। এবং শরীরে বিশেষ ভাবে লুকিয়ে রেখে ইয়াবা সরবরাহ করে থাকে। মাদক বহনে তাদের রয়েছে হরেক রকমের বিভিন্ন রংয়ের বহু বোরখা। যাতে বাসার বাইরে বের হয়ে মাদক সরবরাহ কালে প্রশাসন তাদের কে চিন্থিত করতে না পারে। সর্বশেষ ২৮ মে লাকী দুুই কেজি গাজাঁ সহ ফতুল্লা মডেল থানা পুলিশের হাতে গ্রেফতার হয়। গ্রেফতারের বিশ দিনের মধ্যে আদালত থেকে জামিনে বেরিয়ে আসে।









Discussion about this post