নারায়ণগঞ্জসহ সারাদেশেই হঠাৎ করে বেড়েছিল কাঁচা মরিচের দাম। ৫শ/৭শ/ ৮শ আবার কখনো হাজার টাকা পর্যন্ত হাকডাক দিয়ে পুরো দেশে কাঁচামরিচ নিয়ে অস্থিরতার সৃষ্টি করে অসাধু ব্যবসায়ীরা।
এমন অস্থিরতার পর কাঁচা মরিচ আমদানির খবরে অর্ধেকেরও নিচে নেমে এসেছে বেড়ে যাওয়া দাম।
নারায়ণগঞ্জেও প্রায় ৭০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছিল কাঁচা মরিচ। তবে আমদানির খবরে সেটা নেমে আসে ৩০০ টাকায়।
এমন মূল্যবৃদ্ধির ঘটনায় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের অভিযানে আরো কমেছে কাঁচা মরিচের দাম।
অভ২৫০ টাকার মরিচ বিক্রি হচ্ছে ১০০ টাকা কেজি দরে। ফলে কম দামে মরিচ কিনতে দোকানে ক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড় দেখা গেছে।
সোমবার (৩ জুলাই) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে নারায়ণগঞ্জের বৃহত্তর দিগু বাবুর বাজারে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর নারায়ণগঞ্জ কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. সেলিমুজ্জামানের নেতৃত্বে অভিযান পরিচালনা করে।
জানা গেছে, ভারত থেকে আমদানি করার পরও বাজারে মরিচের দাম না কমায় মরিচের দামে ভোক্তাদের নাজেহাল অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। শহরের বৃহত্তর পাইকারি ও খুচরা কাঁচা বাজার হিসেবে পরিচিত দিগু বাবুর বাজারে মরিচ বিক্রি হচ্ছিল ২৫০-৩০০ টাকা কেজি দরে। কিন্তু জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের উপস্থিতি টের পেয়ে অসাধু ব্যবসায়ীরা মরিচ ১০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি শুরু করেন। এ সময় বাজারে উপস্থিত ভোক্তারা কম দামে মরিচ কিনতে মরিচের দোকানে ভিড় করেন।
এ বিষয়ে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর নারায়ণগঞ্জ কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. সেলিমুজ্জামান সাংবাদিকদের বলেন, সম্প্রতি বন্যাসহ নানা অযুহাতে কাঁচা মরিচের দাম আকাশচুম্বি হয়ে পড়ে। এতে ভোক্তাদের অধিকার ক্ষুণ্ন হওয়ায় আজকে অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। এর আগে বাজারের অসাধু ব্যবসায়ীরা মরিচের মান ভেদে ২৫০-৩০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করছিলেন। আমাদের উপস্থিতিতে সেই মরিচ ১০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করেছে। ক্রেতাদের অহেতুক নানা অযুহাত দেখিয়ে হয়রানি না করার জন্য বাজারের ব্যবসায়ীদের হুঁশিয়ার করা হয়েছে। বাজারের অস্থিতিশীল পরিস্থিতি রুখতে এই ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
এমন ঘোষণার পর মরিচ কিনতে ভিড় করেন ক্রেতারা ।









Discussion about this post