“নারায়ণগঞ্জ রাজস্ব খাতে শীর্ষে । নারায়ণগঞ্জে মাথাপিছু সবচেয়ে বেশি। যে কারণে বেশ কিছু প্রকল্প এখানে নেই। না কাঁদলে মাও দুধ দেয়না। আপনারা যার যার ইউনিয়নে কি কি সমস্যা আছে সেটা প্রথমে নিজে সমাধানের চেষ্টা করবেন। না পারলে প্রস্তাবনা আকারে আমাদের কাছে পাঠান। স্থানীয় সরকারের মাধ্যমে সরকার জনগণের কাছে পৌঁছায়।
২০৪১ সালে উন্নত বাংলাদেশ গঠনের যে টার্গেট সে জায়গায় পৌঁছতে হলে আপনাদের সক্রিয়তা আরো বাড়াতে হবে। ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানরা অনেক সৌভাগ্যবান। কারণ তারা গ্রাম আদালত পরিচালনা করতে পারেন। যদিও পক্ষপাত দুষ্টতার কারণে অনেকে স্থানে আমরা দেখতে পাই, হয় চেয়ারম্যানরা গ্রাম আদালতে বসেন না নয়তো বিচার প্রার্থীরা আসেন না।”
এভাবেই ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার মো. সাবিরুল ইসলাম শনিবার (১ জুন) দুপুরে এসডিজি স্থানীয়করণ এবং জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধনের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন সংক্রান্ত কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।
কমিশনার মো. সাবিরুল ইসলাম বলেন, নারায়ণগঞ্জের যেসব কারখানা পরিবেশ দূষণ করছে তাদেরকে নিয়ে সভা করার বিষয়ে জেলা প্রশাসককে নির্দেশনা দেন বিভাগীয় কমিশনার। প্রয়োজনে ওইসব পরিবেশ দূষণ কারী কারখানার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও বলেন তিনি।
সভায় তিনি আরো বলেন, জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন আবেদন দ্রুত নিস্পত্তি করতে হবে। সংশোধনের আবেদন যাতে বেশিদিন পেন্ডিং না থাকে। স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের জন্য জলাবদ্ধতা ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ইস্যুকে প্রাধান্য দিয়ে কার্যক্রম পরিচালনার জন্য তাগিদ দেন তিনি।
নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে কর্মশালাটি অনু্ষ্ঠিত সভায় জেলা প্রশাসক মো. মাহমুদুল হকের সভাপতিত্বে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জ জেলা সিভিল সার্জন ডা. এএফএম মুশিউর রহমান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) মো. সোহান সরকার, স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ পরিচালক মো. মৌরিন করিম, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মো. শফিকুর আলম, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) সাকিব আল রাব্বী, সদর উপজেলার নির্বাহী অফিসার দেদারুল ইসলাম , জেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা আসাদুজ্জামানসহ বিভিন্ন সরকারি দফতরের কর্মকর্তাগণ, ৩৯টি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও সচিবগণের উপস্থিতিতে ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার মো. সাবিরুল ইসলামিএরা বলেন, বর্তমানে ভূগর্ভস্থ পানির স্তর অনেক নিচে নেমে যাচ্ছে। এজন্য সরকার সারফেস ওয়াটার ব্যবহারকে গুরুত্ব দিচ্ছে। আপনাদের এলাকার নদী, খাল, বিল যেগুলো ভরাট দখল হয়ে গেছে, সরকারি যেসব খাস জমি বেদখল হয়ে গেছে সে বিষয়ে প্রস্তাবনা আকারে আমাদের জানান। ওয়ান পারসেন্টের টাকায় আপনারা খাল খনন কচুরিপানা পরিস্কারের প্রকল্প হাতে নিতে পারেন।









Discussion about this post