কয়েক দশক পূর্বের সেই সুরত আলী বাহিনী ও কামু বাহিনীর দ্বন্বের জের ধরে সেই প্রয়াত শীর্ষ সন্ত্রাসী কামুর ছোট ভাই মনু (৪২) ওরফে মনিরুজ্জামান মনুকে গুলি করে ও কুপিয়ে হত্যা করেছে প্রতিপক্ষের লোকজন।
শুক্রবার (৭ জুন) দুপুরে বন্দরের মুরাদপুরে নিজ বাড়িতে এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।
মনিরুজ্জামান মনু নারায়ণগঞ্জ সিটি ককর্পোরেশনের ২৭ নম্বর ওয়ার্ডের মুরাদপুর এলাকার মৃত কামাল উদ্দিনের ছেলে।
স্থানীয় ও স্বজনরা জানান, মনু মুরাদপুর এলাকায় সন্ত্রাসী কার্যক্রম চালাতো। তার পরিবারের মধ্যে আবুল পুলিশের ক্রসফায়ারে নিহত হয়েছিলেন। সেই সঙ্গে এলাকার আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে নিহত মনুর ভাই নুরুজ্জামান নুরা ও বাবুল আক্তার, বড় বোন নিলুফা অপর সন্ত্রাসী গ্রুপের হাতে খুন হয়েছেন।
অপর ভাই পুলিশের তালিকাভুক্ত শীর্ষ সন্ত্রাসী কামরুজ্জামান ওরফে কামু দীর্ঘদিন কারাগারে থেকে জামিনে বেড়িয়ে এসে রহস্যজনক ভাবে মৃত্যুবরন করে ।
একদিকে সুরত আলী অপরদিকে কামু বাহিনীকে সার্বক্ষণিক দ্বন্দ্বে লিপ্ত রেখে একের পর এক খুনের ঘটনাকে পুজি করে সুরুজ মিয়া ওরফে বিড়ি সুরুজ দুই বাহিনীর বিশাল সম্পদ হাতিয়ে নিয়ে আংগুল ফুলে কলাগাছ বনে যায়।
এই মনু হত্যার নেপথ্যে বিড়ি সুরুজ চক্রের ইংগিত থাকতে পারে বলেও ধারণা করছে এলাকাবাসী ।
এমন ঘটনায় বন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম মোস্তফা বলেন, পূর্ব শত্রুতার জের ধরে মনিরুজ্জামান মনুকে হত্যা করেছে স্থানীয় প্রতিপক্ষ। এ ঘটনায় জড়িতদের গ্রেফতারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।
একের পর এক এমন হত্যাকাণ্ডের পর থেকে মনু কাপাসিয়া বিয়ে করে শ্বশুরবাড়িতে বসবাস করতেন।
বৃহস্পতিবার মনু পাশের সোনারগাঁও উপজেলার কাঁচপুরের কুতুবপুর এলাকায় মামি মারা যাওয়ার খবর পেয়ে ওই বাড়িতে যান। শুক্রবার সকালে নিজের বাড়িতে পৌঁছালে প্রতিপক্ষের লোকজন তাকে গুলি করে ও কুপিয়ে হত্যা করে।
নিহত মনুর ছেলে মিনহাজ বলেন, এলাকার নুরা মিয়ার তিন ছেলে মিঠু, টিটু ও মনিরের নেতৃত্বে ১০-১২ জনের একটি বাহিনী বাবাকে ঘর থেকে বাহির করে প্রথমে মাথায় গুলি ও কুপিয়ে গুরুতর আহত করে। পরে তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।









Discussion about this post