নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে যেন সোনা উড়ে। হাত দিয়ে ধরতে পারলেই যেন কোটি কোটি টাকার মালিক। এমন এমন নব্য কোটিপতির সংখ্য অসংখ্য। কিন্তু জনসাধারণের দুর্ভোগ নিরসনে নিঃস্বার্থভাবে কোন নেতা কাজ করেছে এমন একজনকেও খুঁজে পাওয়া কঠিন ।
এমন দুর্ভোগ লাগব করতে সোনারগাঁয়ের নোয়াগাঁও গ্রামে ব্রহ্মপুত্র নদীর ওপারের প্রায় ১০ হাজার মানুষ নিঃস্বার্থ নেতা খুঁজে বেড়াচ্ছেন দীর্ঘদিন যাবৎ। একটি সেতুর অভাবে প্রায় ১০ হাজার মানুষ রয়েছেন চরম দুর্ভোগে। দৈনিক হাজার হাজার লোক এই সাঁকো দিয়ে ঢাকাসহ সারাদেশে যাতায়াত করে থাকেন। নোয়াগাঁও, পেকিরচর, বানেশ্বরদী গৌরিবরদী, লক্ষ্মীবরদী, বিষ্ণাদী, চণ্ডিবরদী ব্যাসদীসহ প্রায় ১০ গ্রামের মানুষ এই সাঁকো দিয়ে পারাপার হন।
এ ছাড়াও নোয়াগাঁও হাইস্কুলের প্রায় শতাধিক ছাত্রছাত্রী দৈনিক এই সাঁকো দিয়ে পারাপার হতে গিয়ে নানান দুর্ঘটনার স্বীকার হচ্ছে।
এ বিষয়ে নোয়াগাঁও গ্রামের মো. ইউনুস ভূঁইয়া গণমাধ্যমকে বলেন, ‘আমরা ছোটবেলা থেকে এই নদীর ওপর সাঁকো দিয়ে পারাপার হচ্ছি। বুড়ো হয়ে যাচ্ছি কিন্তু এখানে একটি সেতু হচ্ছে না। আমরা সরকারের কাছে এখানে একটু সেতু নির্মাণের জোর দাবি জানাচ্ছি।’
আরেক বাসিন্দা হজরত আলী মিয়া বলেন, ‘আমরা মেম্বার আর চেয়ারম্যানদের সবাইকে এ বিষয়ে অবহিত করেছি। কিন্তু কাজের কাজ কিছুই হচ্ছে না। আমরা এলাকার জনগণ এখানে একটি সেতু চাই।’

এ বিষয়ে নোয়াগাঁও হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক আতিকুর রহমান তালুকদার বলেন, ‘আমার বিদ্যালয়ের শতাধিক ছাত্রছাত্রী দৈনিক এই সাঁকো দিয়ে বিদ্যালয়ে আসা যাওয়া করে। তারা প্রায়ই নানান দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছে। কেউ কেউ সাঁকো পারাপার হতে গিয়ে পড়ে যাচ্ছে বই খাতা। এছাড়াও সাঁকো পারাপার হতে গিয়ে অনেকেই আহত হচ্ছে। আমি চাই এখানে দ্রুত একটি সেতু নির্মাণ করা হোক। যাতে বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীরা নির্বিঘ্নে নদী পারাপার হতে পারে।’
এ বিষয়ে সোনারগাঁও উপজেলা চেয়ারম্যান মাহফুজুর রহমান কালাম বলেন, ‘এখানে অনেক বড় সেতু নির্মাণ করতে হবে। এটা উপজেলা চেয়ারম্যানের এখতিয়ারের বাইরে। তারপরেও প্রশাসনের সঙ্গে কথা বলে সেতু নির্মাণের চেষ্টা করব।’
এলাকাবাসীর দাবি দ্রুত এখানে যাতে একটু সেতু নির্মাণ করে এলাকাবাসীর দুর্ভোগ লাঘব করা হয় ।









Discussion about this post