২০১৩ সালের ৬ মার্চ নগরের শায়েস্তা খাঁ সড়কের বাসা থেকে বের হওয়ার পর নিখোঁজ হয় তানভীর মুহাম্মদ ত্বকী। দুদিন পর ৮ মার্চ শীতলক্ষ্যা নদীর কুমুদিনী খাল থেকে ত্বকীর লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। ওই বছরের ১২ নভেম্বর আজমেরী ওসমানের সহযোগী সুলতান শওকত আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে জানান, আজমেরী ওসমানের নেতৃত্বে ত্বকীকে অপহরণের পর হত্যা করা হয়।
নারায়ণগঞ্জ সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি জিয়াউল ইসলামের (কাজল) সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক ধীমান সাহার (জুয়েল) সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন ত্বকীর বাবা সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব রফিউর রাব্বি, খেলাঘরের কেন্দ্রীয় কমিটির সহসভাপতি রথীন চক্রবর্তী, সন্ত্রাস নির্মূল ত্বকী মঞ্চের সদস্য সচিব হালিম আজাদ, গণসংহতি আন্দোলনের জেলা সমন্বয়ক তরিকুল সুজন, সামাজিক সংগঠক সমমনার সভাপতি সালাহউদ্দিন আহমেদ, উপদেষ্টা দুলাল সাহা, সিপিবির শহর কমিটির সাধারণ সম্পাদক সুজয় রায় চৌধুরী, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির জেলা নেত্রী রাশিদা বেগমসহ অন্যান্যদের উপস্থিতিতে রফিউর রাব্বি আরো বলেন, ‘শামীম ওসমান হাজার হাজার কোটি টাকা বিদেশে পাচার করলেও দুদক কখনো তাঁর বিরুদ্ধে তদন্ত করেনি। অন্য দেশের নাগরিকত্ব নিয়ে সংবিধান লঙ্ঘন করে দেশের আইনপ্রণেতা হলেও দুদক তা দেখে না। শেখ হাসিনা দেশ ছেড়ে পালিয়ে গেলে দুদকের টনক নড়ে। ত্বকী হত্যার পাশাপাশি সাগর-রুনি, তনু, বুলু, মিঠু ও ওসমান পরিবার দ্বারা নিহত সব হত্যা এবং গত জুলাই-আগস্টে শেখ হাসিনার নির্দেশে গণহত্যার বিচার করতে হবে। এই সরকার সেই বিচার না করলে আগের মতো গণ–আদালত তৈরি করে চব্বিশের গণহত্যার বিচার আদায় করা হবে।’









Discussion about this post