ছাত্র আন্দোলনের হত্যা মামলায় সম্প্রতি ইয়ার্ন মার্চেন্টস্ এসোসিয়েশনের সভাপতি লিটন সাহা গ্রেফতারের পর ও ইসি সদস্যপদ থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে । সূতা চোর চক্রের গডফাদার হিসেবে পরিচিত লিটন সাহাকে অব্যাহতির পর সংগঠনের নতুন সভাপতি হয়েছেন এম. সোলায়মান ও সিনিয়র সহ-সভাপতি মোহাম্মদ মুসা।
আজ শনিবার (৯ নভেম্বর) দুপুরে এসোসিয়েশনের কার্যকরী পরিষদের জরুরী সভায় এই ঘোষণা দেয়া হয়।
বাংলাদেশ ইয়ার্ন মার্চেন্টস্ এসোসিয়েশনের এই সভায় এসোসিয়েশনের সিনিয়র সহ সভাপতি-অশোক মহেশ্বরী, ইসি সদস্য- জয় সাহা ও বিশ্বজিত সাহা ইতিপূর্বে অনুষ্ঠিত কোন মাসিক সভায় উপস্থিত না থাকায় তাদের ইসি সদস্যপদ বানিজ্য নীতিমালা এবং গঠনতন্ত্র অনুযায়ী বাতিল বলে বিবেচিত হওয়ায় তাদের এবং লিটন সাহার মোহাম্মদ সোলয়ামান, মোঃ মাহফুজুর রহমান খান, মো. যোবায়ের আলম ঝলক ও মামুনকে ইসি সদস্য হিসাবে অন্তর্ভূক্ত করা হয়েছে।
এবার কার্যকরী পরিষদের অন্যান্য সদস্যরা হলেন : সহ সভাপতি পদে মোজাম্মেল হক, মোস্তফা এমারানুল হক মুন্না, সঞ্জিত রায় । পরিচালক পদে মো. মজিবুর রহমান, মো. আমিন উদ্দিন, মো. তাজুল ইসলাম টুটুল, মো. সিরাজুল হক হাওলাদার সিরাজ, মো. আকবর হোসেন, মো. আকরাম, গৌতম সাহা, মো. তাইজ উদ্দিন আহমেদ, মো. মজিবর রহমান, মো. মাহমুদুল হাসান মনির, অসীম কুমার সাহা, জীবন সাহা ও জাহিদ হাসান।

এমন ঘটনায় নারায়ণগঞ্জের টানবাজার এলাকায় অনেক ব্যবসায়ী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, এই ব্যবসাটি নারায়ণগঞ্জ থেকে অন্যত্র চলে যাচ্ছে সেই দিকে কারো খেয়াল নাই। বিগত ১৫ বছরের স্বৈরশাসনের সময় কেউ এতো অপকর্ম বন্ধ করতে কোন কথা বলার সাহস ও করে নাই । নগরীর চিহ্নিত সেই সূতা চোরদের গডফাদার লিটন সাহা অপসারন করা হলো এবার দেখার বিষয় কোন সাধুরা এই চোরনাকারবারীদের প্রতিহত করেন, নাকি সেই পুরানো কায়দায় সরকারের বিশাল রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে আরেক চক্র আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ বনে যেতেই থাকেন।









Discussion about this post