নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার ফতুল্লায় শিল্পপতি রেজাউল করিম মালার বাড়ি গ্রিল কেটে অস্ত্রের মুখে স্বামী-স্ত্রীর হাত-পা বেঁধে দুর্ধর্ষ ডাকাতির ঘটনায় এক সপ্তাহের মধ্যেও ডাকাতদের পরিচয় শনাক্ত করতে পারে নােই আইনশৃংখলা বাহিনী।
এমন ঘটনার পর গত পহেলা ডিসেম্বর রোববার রাতে নগরীর কিল্লা্র পুলের বিদ্যূৎ কার্য্যালয়ে ডাকাতির ঘটনায় আতংকের নগরীতে পরিণত হয়েছেন নারায়ণগঞ্জ ।
শিল্পপতি রেজাউল করিম মালা বাড়িসহ পুরো এলাকার বিভিন্ন এলাকার বাড়ির সিসিটিভি ফুটেজ থেকে ঘটনার আগে ও পরের ভিডিও সংগ্রহ করে ডাকাতদের ছবি সংগ্রহ করলেও তাদের পরিচয় শনাক্ত করতেও পারছে না পুলিশ।
নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশের একটি নির্ভরশীর সূত্র জানায়, ‘সদর উপজেলার সস্তাপুরের করম আলী স্কুলের কাছে সড়কে দাঁড়িয়ে ডাকাতির পরিকল্পনা করে শিল্পপতির বাড়ির পেছনের দিক দিয়ে গ্রিল কেটে দোতলায় মুখে কাপড় বেঁধে ৬ জন ডাকাত প্রবেশ করেেই দোতলার ওই রুমে শিল্পপতি রেজাউল করিম মালার ছোট ছেলে আলাউদ্দিন ও তার স্ত্রী নাসরিন আক্তারকে অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে হাত-পা বেঁধে ফেলে । এরপর ঘর থেকে নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার লুট করে গুলি করতে করতে বীরের বেশে পালিয়ে যায় ।
রোম হর্ষখ এমন ডাকাতির ঘটনায় তাদের কক্ষে থাকা গোপন ক্যামেরায় পাওয়া যায় সেই ডাকাতির ভিডিও চিত্র। বাড়ির আশপাশের সিসিটিভির ভিডিওতে ডাকাতদের মুখ বাঁধা ছাড়া ভিডিও পাওয়া গেছে। ওই সিসিটিভির ভিডিওর সূত্র ধরে এবং বিভিন্ন কৌশলে ডাকাতদের পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা করে এখনো আশার কোন বার্তা দিতে পারে নাই পুলিশ।
ডাকাতদের হামলার শিকার আলাউদ্দিন জানান, ‘আমাদের বাড়ি থেকে লুটে নেওয়া টাকা ও স্বর্ণালংকার তাদের হাতে এক সপ্তাহের মধ্যেই অবশ্যই তারা ভাগ-ভাটোয়ারা করে ফেলেছে। এমন সময়ের মধ্যে যখন ডাকাতদের শনাক্ত করতে পারেনি তাহলে সাধারণ মানুষ প্রযুক্তির কী সুফল পাবে। ফতুল্লার প্রতিটি সড়কে ও অধিকাংশ কলকারখানায় বাসা বাড়িতে সিসিটিভি ক্যামেরা আছে, কে কোন এলাকা থেকে বের হয়ে কোথায় যাচ্ছে তা বের করতে বেশি সময় তো লাগবে না। এমন ঘটনায় আমাদের দাবি ডাকাতদের দ্রুত গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনা হোক । নইলে আতংক যেন আরো বৃদ্ধি পাচ্ছে সর্বত্র।
এমন ডাকাতির ঘটনায় ফতুল্লা মডেল থানার ওসি শরিফুল ইসলাম বলেন, “শিল্পপতির বাড়ির ডাকাতির ঘটনায় ব্যাপক চেষ্টা চলছে, কিন্তু ডাকাতদের পরিচয় শনাক্ত করতে বিলম্ব হচ্ছে। আমাদের চেষ্টার ওেকান ত্রুটি নেই। অপরাধীদের শনাক্ত ও আটক করেতে অব্যাহত আছে সকল ধরণের চেষ্টা ।
প্রসঙ্গতঃ ২৭ নভেম্বর (বুধবার) ভোরে ফতুল্লার সস্তাপুর গাবতলা এলাকায় ঢাকা টেক্সটাইলের মালিক রেজাউল করিম মালার বাড়িতে অস্ত্রধারী মুখোশ পরিহিত ডাকাত দল জানালার গ্রিল কেটে বাসায় প্রবেশ করেই শিল্পপতির ছেলে ও ছেলের বৌয়ের হাত-পা বেঁধে এলোপাতাড়ি পিটিয়ে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে সাত লাখ টাকা ও ৪০ ভরি স্বর্ণালংকার লুটে গুলি করতে করতে বেড়িয়ে যায়। এমনর ঘটনার ৪ দিনের মধ্যে কিল্লারপুলের বিদ্যুৎ কার্যালয়ে ঘটে অপর লোম হর্ষখ ডাকাতির ঘটনা। যার কারণে আতংক বিরাজ করছে সর্বত্র ।









Discussion about this post