ঢাকা নারায়ণগঞ্জ লিংক সড়কের ফতুল্লায় একটি মার্কেটে সমিতির অফিস দখল করে সাধারণ সম্পাদককে মারধর করার অভিযোগ উঠেছে।
এমন খবর পেয়ে সমিতির অন্যান্য সদস্যরা এগিয়ে এলে দুপক্ষের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষে সমিতির অন্তত ৫ জন সদস্য আহত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৫ ডিসেম্বর) বিকালে ভুইগড় শান্তিধারা হকার্স মার্কেটে ঘটনা টি ঘটে।
বুধবার (৪ ডিসেম্বর) বিকালে ফতুল্লা থানায় অভিযোগ করেন সমিতির সাধারণ সম্পাদক জিয়া হোসেন অভিযোগ করে জানান, শান্তিধারা মার্কেটে অবস্থিত বাইতুল মোকারম হকার্স কল্যাণ সমিতির অফিস দখল করে সন্ত্রাসীরা। তালা লাগিয়ে দেওয়ার অভিযোগ এনে ৯ জনের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করে।
ওই অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, রফিকুল ইসলাম, ইমাম হাসান, ইউসুফ পাটোয়ারী, রাজু শাহ, মামুন, আরমান, ইকবাল চৌধুরী, মজিবুর রহমান ও লাল মিয়াসহ তাদের বাহিনীর লোকজন জোর করে শান্তিধারা হকার্স মার্কেট দখল করে দোকান বরাদ্দ দেওয়ার চেষ্টা করছে।
বিষয়টি মার্কেটের অন্যান্য দোকানদার অর্থাৎ সমিতির সদস্যরা সমিতির সাধারণ সম্পাদক জিয়া হোসেনকে জানালে তিনি জোর দখলকারীদের বাধা দেন।
অভিযোগ দায়ের করায় ক্ষিপ্ত হয়ে গত মঙ্গলবার বিকালে রফিকুল ইসলাম ও তার লোকজন এসে দেশীয় অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে সমিতির সাধারণ সম্পাদক জিয়া হোসেনসহ সদস্যদের বের করে দিয়ে সমিতির অফিস কক্ষে তালা লাগিয়ে দিয়ে দখন করলে ফের বিষয়টি বুধবার জিয়া হোসেন ফতুল্লা থানায় লিখিত অভিযোগ করেন।
হামলার পর জিয়া হোসেন জানান, ফতুল্লা থানায় অভিযোগ করার পর তাৎক্ষণিক পুলিশ কোনো ব্যবস্থা না নেওয়ায় সুযোগে বৃহস্পতিবার বিকালে সমিতির সদস্যদের নিয়ে মার্কেটে গেলে ওই জবরদখলকারীরা দেশীয় অস্ত্র হাতে আমাদের ওপর হামলা করে আমার মাথায় কোপ দেয় এবং সদস্যদের অনেককে বেদম মারধর করে আহত করে । আহ অবস্থায় আমাকে ঢাকা মেডিকেলে ভর্তি করা হয়েছে আর অন্যান্য আহতরা কোথায় চিকিৎসা নিচ্ছে তা আমি জানি না।
দায়ের করা এজাহারের দখলকারীদের মধ্যে ইমাম হাসান জানান, ‘মারধর বা সমিতির অফিস দখলের বিষয়ে কিছুই জানি না আমিরা আর যা বলছে সবই মিথ্যা। তবে মারামারি হয়েছে শুনেছি।
ফতুল্লা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শরিফুল ইসলাম জানান, মারামারির ঘটনায় ৪/৫ জন আহত হয়েছেন বলে জানতে পেরেছি। এলাকায় এখন পরিস্থিতি শান্ত আছে। তদন্ত চলছে। দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।









Discussion about this post