চাচীর সাথে দীর্ঘদিন পরকীয়া, চাচাকে নানাভাবে হুমকি। চাচীকে নিয়ে নানা নগ্ন কেলেংকারীতে হাতেনাতে আটকের পর ঘনিষ্ঠ আত্নীয়দের হাতে মারপিটে গুরুতর আহত হয়ে প্রতিজ্ঞা করে এবার চাচাকে হত্যা করে চাচীকে বিয়ে করার। সেই প্রতিজ্ঞা থেকেই চাচীকে বিয়ে করে প্রতিজ্ঞা পূর্নাঙ্গ করতে চাচাকে হত্যার পর কারাগারে থাকার এক পর্যায়ে ফতুল্লা থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব রাসেল মাহমুদ হত্যা মামলায় উচ্চ আদালত থেকে জামিন নিয়ে মুক্তি পেয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার (৯ জানুয়ারি) সকালে নারায়ণগঞ্জ জেলা কারাগার থেকে জামিনে মুক্তি পেয়েছেন রাসেল মাহমুদ।
রাসেল মাহমুদের আইনজীবী অ্যাডভোকেট আনোয়ার প্রধান জানান, যুবদল নেতা আনু হত্যা মামলায় উচ্চ আদালত থেকে জামিন নিয়ে মুক্তি পেয়েছে।
৮ নভেম্বর পিবিআইয়ের হতে গ্রেফতারের পর দু্ মাস কারা্ভোগের পর আজ ৯ জানুয়ারী উচ্চ আদালতের আদেশে কারাগার থেকে মুক্তি পায় নান অপরাদেল হোতা রাসেল মাহমুদ।
এমন ঘটনায় উপস্থিত অনেকেই বলেন, লজ্জা বলতে আমাদের আর অবশিষ্ট কিছু নাই। চাচুর সাথে নস্টামী আর চাচাকে হত্যা করা কোন মানুষের পক্ষে শোভনীয় হয় নাকি ? কোন সভ্যতায় ফেলবো এই ঘুন্য কাজ কে।
জানা যায়, গত ২৬ আগস্ট মাসদাইর নিজ বাস ভবনের লিফট থেকে আনোয়ার হোসেন আনুর লাশ উদ্ধার করে ফতুল্লা থানা পুলিশ। নিহত বিএনপি নেতা আনু হলেন দেওভোগ এল এন রোড এলাকার মৃত হাজী সায়েদ আলীর ছেলে ও মহানগর যুবদলের সাবেক সহ সভাপতি।
যুবদল নেতা আনোয়ার হোসেন আনু হত্যাকান্ডে বড় ভাই বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন। মামলায় রাসেলসহ নিহতের (সাবেক) স্ত্রী, সন্তান, শ্যালকসহ ৮জনের নাম উল্লেখ করে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছিল। মামলা দায়েরের পর পুলিশ ৫ আসামিকে গ্রেপ্তার করলেও রাসেল ছিলেন পলাতক।
এ মামলায় নিহতের স্ত্রী রোকসানা আক্তার পুতুল (৪৬), জান্নাত আরা জাহান প্রেরণা (২১), নূর আলম (৫৫), সারিদ হোসেন (১৯), কাজল (৩২) কে পূর্বেই গ্রেপ্তার করেছিলো পুলিশ। কারাগারে থাকাবস্থায় রোকসানা আক্তার পুতুল উচ্চ আদালত থেকে জামিন নিয়ে ফের পলাতক ছিলো।
গত বৃহস্পতিবার ৭ নভেম্বর উচ্চ আদালতে জামিনের জন্য আবেদন করলে তা নামঞ্জুর করলে তাদের আটক করে পিবিআই।
জানা যায়, চাচীর পাপিয়ার পাপের পরকীর জের ধরে ভাতিজা রাসেল মাহমুদের নানা কেলেংকারী ঘটনার পর চাচা আনোয়ার হোসেন আনুকে হত্যা করতে পরিকল্পনা চালিয়ে যাচ্ছিলো ২০১৯ সালের ২ জানুয়ারির পর থেকেই । চাচা আনুকে শায়েস্তা করতে চাচার প্রাপ্ত বয়স্ক ছেলে মেয়েকে সাথে নিয়ে চাচী পাপিয়া সন্তানতুল্য ভাতিজা রাসেল মাহমুদ কে বিয়ে করে ২০২১ সালের ৩ ডিসেম্বর। এরপর অসংখ্যবার আনুকে হত্যার পরিকল্পনা করে এই পাপিয়া ও রাসেল মাহমুদ। এমন পরিকল্পনায় ঘৃন্য সফলতার মুখ দেখে ৫ বছর ৮ মাস পর অর্থাৎ ২৬ আগস্ট সোমবার । হত্যা করা হয় আনুকে। আনুর লাশ উদ্ধারের পর সুরতহাল রিপোর্ট দেখে জানা যায় মৃত আনুর শরীরে অসংখ্য আঘাতের চিহ্ন রয়েছে ।
আনু হত্যার দীর্ঘদিন অতিবাহিত হলেও মূল পরিকল্পনাকারী আনুর হত্যাকারী রাসেল মাহমুদ ও পাপিয়া কে গ্রেফতার না করায় তাদের সাথে আইনশৃংখলা বাহিনীর সখ্যতার অভিযোগ ছিলো ।
এমন ঘটনায় এরই মধ্যে সূত্রটি নিশ্চিত করে চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ করে জানায়, “২০১৯ সালের ২ জানুয়ারী বুধবার সন্ধ্যা ৭ টায় নগরীর ২২/১ আমলাপাড়ার কে বি সাহা বাইলেন সড়কের নিজাম উদ্দিনের ৫ তলা ভবনের ৩য় তলায় ভাতিজা রাসেল মাহমুদের সাথে চাচী পাপিয়া আক্তার পান্নাকে নগ্ন অবস্থায় হাতেনাতে আটক করে চাচা আনোয়ার হোসেন আনু ও তার আত্মীয় স্বজনরা। ওই সময় পিটিয়ে রাসেলকে গুরুতর আহত করে । আর পাপের রানী পাপিয়াকে চর থাপ্পর দিলে দুইজনই আনু ও তার স্বজনদের পা ধরে ক্ষমা চেয়ে মামলা না করতে অনুরোধ জানায়। এরপর দীর্ঘদিন চিকিৎসা শেষে রাসেল তার চাচা আনুকে চরম শিক্ষা দিতে পরিকল্পনা শুরু করে ।
এমন পরিকল্পনা থেকেই ২০২০ সাথে ৩০ জুন আনোয়ার হোসেন আনুকে তালাক নোটিশ পাঠায় পাপিয়া আর ২০২১ সালের ৩ ডিসেম্বর চাচীকে বিয়ে করে ভাতিজা রাাসেল। আনুর পরিবারকে নরকে পরিণত করার পরও ক্ষোভ যেন কোন অবস্থাতেই শেষ হয় নাই রাসেল মাহমুদের। শেষ পর্যন্ত ওই ক্ষোভ থেকে পরিকল্পনা বাস্বতবায়ন করে ২৬ আগষ্ট সন্ধ্যায়।
এমন ঘটনার পর পর রাাসেল তার ঘনিষ্ট শেল্টারদাতাকে বলেন, `আমারে দীর্ঘদিনের মনের যন্ত্রণা মিট্টা গেছে । এখন আপনি ই আমার একমাত্র ভরসা আমার আর কোন চাওয়া পাওয়ার নাই। যাদের আটক করছে তাদেরকে মুক্ত করার চেষ্টা করেন। আপনি যা কইবেন আমি তাই করমু। তবুও এই ঘটনা থেকে আমাদের রক্ষা করেন।‘
এমন ঘটনায় প্রভাবশালী চক্র একদিকে থানায় অপরদিকে হাসপাতালের পোস্টমর্টেম রিপোর্টে আনু আত্মহত্যা করেছে এমন প্রতিবেদন দিতে কোটি টাকা ব্যয় করতেও দৌড়ঝাপ করেছে একাধিক চক্র।
চাচীকে বিয়ে করে চাচাকে হত্যার পর রাসেল মাহমুদের আইনজীবী অ্যাডভোকেট আনোয়ার প্রধান বলেন, যুবদল নেতা আনু হত্যা মামলায় উচ্চ আদালত থেকে জামিন নিয়ে মুক্তি পেয়েছে।
ঘটনার বিবরণে জানা যায়, গত ২৬ আগস্ট মাসদাইর নিজ বাস ভবনের লিফট থেকে আনোয়ার হোসেন আনুর লাশ উদ্ধার করে ফতুল্লা থানা পুলিশ। নিহত বিএনপি নেতা আনু হলেন দেওভোগ এল এন রোড এলাকার মৃত হাজী সায়েদ আলীর ছেলে ও মহানগর যুবদলের সাবেক সহ সভাপতি।
যুবদল নেতা আনোয়ার হোসেন আনু হত্যাকান্ডে বড় ভাই বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন। মামলায় রাসেলসহ নিহতের (সাবেক) স্ত্রী, সন্তান, শ্যালকসহ ৮ জনের নাম উল্লেখ করে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছিল। মামলা দায়েরের পর পুলিশ ৫ আসামিকে গ্রেপ্তার করলেও রাসেল ছিলেন পলাতক।
এ মামলায় নিহতের স্ত্রী রোকসানা আক্তার পুতুল (৪৬), জান্নাত আরা জাহান প্রেরণা (২১), নূর আলম (৫৫), সারিদ হোসেন (১৯), কাজল (৩২) কে পূর্বেই গ্রেপ্তার করেছিলো পুলিশ। কারাগারে থাকাবস্থায় রোকসানা আক্তার পুতুল উচ্চ আদালত থেকে জামিন নিয়ে ফের পলাতক ছিলো।
গত বৃহস্পতিবার ৭ নভেম্বর উচ্চ আদালতে জামিনের জন্য আবেদন করলে তা নামঞ্জুর করলে তাদের আটক করে পিবিআই।
জানা যায়, চাচীর পাপিয়ার পাপের পরকীর জের ধরে ভাতিজা রাসেল মাহমুদের নানা কেলেংকারী ঘটনার পর চাচা আনোয়ার হোসেন আনুকে হত্যা করতে পরিকল্পনা চালিয়ে যাচ্ছিলো ২০১৯ সালের ২ জানুয়ারির পর থেকেই । চাচা আনুকে শায়েস্তা করতে চাচার প্রাপ্ত বয়স্ক ছেলে মেয়েকে সাথে নিয়ে চাচী পাপিয়া সন্তানতুল্য ভাতিজা রাসেল মাহমুদ কে বিয়ে করে ২০২১ সালের ৩ ডিসেম্বর। এরপর অসংখ্যবার আনুকে হত্যার পরিকল্পনা করে এই পাপিয়া ও রাসেল মাহমুদ। এমন পরিকল্পনায় ঘৃন্য সফলতার মুখ দেখে ৫ বছর ৮ মাস পর অর্থাৎ ২৬ আগস্ট সোমবার । হত্যা করা হয় আনুকে। আনুর লাশ উদ্ধারের পর সুরতহাল রিপোর্ট দেখে জানা যায় মৃত আনুর শরীরে অসংখ্য আঘাতের চিহ্ন রয়েছে ।
আনু হত্যার দীর্ঘদিন অতিবাহিত হলেও মূল পরিকল্পনাকারী আনুর হত্যাকারী রাসেল মাহমুদ ও পাপিয়া কে গ্রেফতার না করায় তাদের সাথে আইনশৃংখলা বাহিনীর সখ্যতার অভিযোগ ছিলো ।
এমন ঘটনায় এরই মধ্যে সূত্রটি নিশ্চিত করে চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ করে জানায়, “২০১৯ সালের ২ জানুয়ারী বুধবার সন্ধ্যা ৭ টায় নগরীর ২২/১ আমলাপাড়ার কে বি সাহা বাইলেন সড়কের নিজাম উদ্দিনের ৫ তলা ভবনের ৩য় তলায় ভাতিজা রাসেল মাহমুদের সাথে চাচী পাপিয়া আক্তার পান্নাকে নগ্ন অবস্থায় হাতেনাতে আটক করে চাচা আনোয়ার হোসেন আনু ও তার আত্মীয় স্বজনরা। ওই সময় পিটিয়ে রাসেলকে গুরুতর আহত করে । আর পাপের রানী পাপিয়াকে চর থাপ্পর দিলে দুইজনই আনু ও তার স্বজনদের পা ধরে ক্ষমা চেয়ে মামলা না করতে অনুরোধ জানায়। এরপর দীর্ঘদিন চিকিৎসা শেষে রাসেল তার চাচা আনুকে চরম শিক্ষা দিতে পরিকল্পনা শুরু করে ।
এমন পরিকল্পনা থেকেই ২০২০ সাথে ৩০ জুন আনোয়ার হোসেন আনুকে তালাক নোটিশ পাঠায় পাপিয়া আর ২০২১ সালের ৩ ডিসেম্বর চাচীকে বিয়ে করে ভাতিজা রাাসেল। আনুর পরিবারকে নরকে পরিণত করার পরও ক্ষোভ যেন কোন অবস্থাতেই শেষ হয় নাই রাসেল মাহমুদের। শেষ পর্যন্ত ওই ক্ষোভ থেকে পরিকল্পনা বাস্বতবায়ন করে ২৬ আগষ্ট সন্ধ্যায়।
এমন ঘটনার পর পর রাাসেল তার ঘনিষ্ট শেল্টারদাতাকে বলেন, `আমারে দীর্ঘদিনের মনের যন্ত্রণা মিট্টা গেছে । এখন আপনি ই আমার একমাত্র ভরসা আমার আর কোন চাওয়া পাওয়ার নাই। যাদের আটক করছে তাদেরকে মুক্ত করার চেষ্টা করেন। আপনি যা কইবেন আমি তাই করমু। তবুও এই ঘটনা থেকে আমাদের রক্ষা করেন।‘
এমন ঘটনায় প্রভাবশালী চক্র একদিকে থানায় অপরদিকে হাসপাতালের পোস্টমর্টেম রিপোর্টে আনু আত্মহত্যা করেছে এমন প্রতিবেদন দিতে কোটি টাকা ব্যয় করতেও দৌড়ঝাপ করেছে একাধিক চক্র ।









Discussion about this post