পেশায় নৃত্য শিল্পী । যার কারণে প্রথম স্বামী ছেড়ে যাওয়ার পর ফের বিয়ে করলেও ওই পেশা ছাড়তে চান নাই রানী। আর ওই পেশা ই কাল হলো মোহাম্মদপুরের জেনেভা ক্যাম্পের রানী বেগমের। স্বামীর নির্দেশ মোতাবেক নৃত্যশিল্পীর পেশা ছাড়তে রাজি হন নাই রানী। এ কারণে তাকে পরিকল্পিতভাবে গলা কেটে হত্যাকেরে রকি। পুলিশের কাছে দ্বিতীয় স্বামী রকি স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে এমন কথা জানিয়েছে।
ঘটনার বিষয়ে পূর্বাচল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ জাহাঙ্গীর মিয়া রকির জবানবন্দির বরাত দিয়ে বলেন, রানী বেগম ছোটকাল থেকেই নৃত্য পরিবেশন করতেন। আর নৃত্যকে তিনি পেশা হিসাবে বেছে নেয়। রানীর প্রথম বিয়ের পর স্বামী তাকে এ পেশা ছেড়ে দিতে চাপ দেয় । এ নিয়ে মনোমালিন্যের কারণে প্রথম স্বামীর সঙ্গে তার বিবাহ বিচ্ছেদ ঘটে।
এর ৬ মাস পর রকি মিয়ার সঙ্গে বিয়ে হয়। কয়েক মাস ভালোই চলছিল। এরপর রকি মিয়াও রানীর নৃত্য পেশায় আপত্তি জানান। এই পেশা ছেড়ে দিতে বললেও রানী কর্ণপাত করে নাই ।
এরপর থেকেই রকি মিয়া নানাভাবে রানীকে হত্যার পরিকল্পনা করতে থাকেন। আর বাণিজ্য মেলা উপলক্ষ্যে ৬ জানুয়ারি সোমবার রাতে রূপগঞ্জে নিয়ে এসে রানীকে গলা কেটে হত্যা করে স্বামী রকি। ব্যাপক তদন্তের পর জেনেভা ক্যাম্প থেকে নিহতের স্বামী রকিকে গ্রেফতার করে পুলিশ।









Discussion about this post