গ্যাস লিকেজ থেকে লাগা আগুনে শিশুসহ আটজন দগ্ধের ঘটনায় চিকিৎাধীন অবস্থায় সিদ্ধিরগঞ্জের সেই রিকশাচালক হান্নান (৫০) মারা গেছেন।
শুক্রবার দিবাগত রাত দেড়টায় ( ৮ মার্চ) জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান হান্নান।
বার্ণ ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন ডা. শাওন বিন রহমান মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, শ্বাসনালিসহ হান্নানের শরীরের ৪৫ শতাংশ পুড়ে গিয়েছিলো। ইনস্টিটিউটের ৬০২ নম্বর ওয়ার্ডে ভর্তি থাকাবসস্থায় মারা গেছেন তিনি।
ডা. শাওন বিন রহমান আরও জানান, গ্যাস বিস্ফোরণের ওই ঘটনায় নিহত হান্নানের স্ত্রী লাকির শরীরের ২২ শতাংশ দগ্ধ, মেয়ে জান্নাতের ৩ শতাংশ, সামিয়ার ৭ শতাংশ, ছেলে সাব্বিরের ২৭ শতাংশ, প্রতিবেশী ভাড়াটিয়া সোহাগের ৪০ শতাংশ, তাঁর স্ত্রী রুপালির ৩৪ শতাংশ ও মেয়ে সুমাইয়ার ৪৪ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে।
২ মার্চ (রোববার) দিবাগত রাত সাড়ে ৩টার দিকে সিদ্ধিরগঞ্জের জালকুড়ি ২ নম্বর চেয়ারম্যান অফিসের পাশে একটি টিনশেড বাসায় ওই দুর্ঘটনা ঘটে। ওই দিন মধ্যরাতে হঠাৎ করেই গ্যাস লাইন থেকে আগুন ছড়িয়ে পড়ে টিনশেড ঘরে। এ সময় দুটি কক্ষে থাকা আটজনই দগ্ধ হলে ভোরে তাঁদের ঢাকার জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়।
দগ্ধ রিকশাচালক হান্নান (৫০) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করলেও বাকী দগ্ধরাে হলেন, তাঁর স্ত্রী লাকি আক্তার (৩৫), মেয়ে জান্নাত আক্তার নুরজাহান (৪), মেয়ে সামিয়া আক্তার রিম (১১) ও ছেলে সাব্বির (১২); আরেক পরিবারের পোশাকশ্রমিক সোহাগ (২৩), তাঁর স্ত্রী রুপালি (২০) ও তাঁদের একমাত্র সন্তান দেড় বছর বয়সী সুমাইয়া। তাদের চিকিৎসা চলছে।









Discussion about this post