রূপগঞ্জে হাদী দাউদ নামে এক সিএনজি চালককে শ্বাসরোধে হত্যার ঘটনায় ২০ বছর পর চারজনকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন নারায়ণগঞ্জের একটি আদালত।
আজ মঙ্গলবার (১১ মার্চ) দুপুরে অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ ২য় আদালতের বিচারক হুমায়রা তাসমিন উল্লেখিত কারাদণ্ড প্রদান করেন।
যাবজ্জীবন কারাদণ্ডাদেশের পাশাপাশি প্রত্যেক দন্ডিতকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও ছয়মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
এই মামলার ভিন্ন ধারায় তাদের তিনজনকে সাত বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
নারায়ণগঞ্জ কোর্ট পুলিশের পরিদর্শক মো. কাইউম খান উল্লেখিত দণ্ডাদেশের বিষয় টি নিশ্চিত করে বলেন, ২০০৫ সালে রূপগঞ্জ থানায় করা একটি মামলায় চারজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন বিজ্ঞ বিচারক। রায় ঘোষণাকালে সাজাপ্রাপ্ত একজন আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন। অন্যন্যরা ছিলেন পলাতক।
দণ্ডাদেশপ্রাপ্তরা হলো : নেত্রকোনার উত্তর বিশিউড়া এলাকার সারোজ আলীর, পুত্র মো. লতিফ (৪৪) ও তার ভাই মো. রতন (৪০), একই এলাকার মো. নওয়াব আলীর পুত্র মো. আ. আউয়াল (৩৯) ও বরিশালের বাবুগঞ্জ এলাকার মো. শহীদুল আলম (৫০)।
উল্লেখিতদের মধ্যে মো. শহীদুল আলম ছাড়া সকলেই পলাতক।
নারায়ণগঞ্জ আদালতের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট সামছুল আরেফিন টুটুল জানান, ২০০৫ সালে রূপগঞ্জের আদুরিয়া এলাকায় আসামিরা যোগসাজেস করে সিএনজি চালক হাদী দাউকেকে নেশা জাতীয় ট্যাবলেট খাইয়ে শ্বাসরোধে হত্যা করে মরদেহ গুম করার চেষ্টা করে অপরাধীরা। অপরাধীদের আচরণ দেখে স্থানীয় লোকজনের সন্দেহ হলে তাদের আটক করে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে। পুলিশি জিজ্ঞাসাবাদে হত্যাকাণ্ডের রহস্য উন্মোচিত হলে রূপগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করলে সেই মামলার বিচার কার্যক্রম শেষে আদালত উল্লেখিত আসামীদের বিরুদ্ধে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রদান করেন।









Discussion about this post