আড়াইহাজারে নিজ ঘরে পাওয়া গেছে শামসুন্নাহার চৈতি (২৬) নামের এক নারী শ্রমিকের লাশ।
আজ রোববার (১৬ মার্চ) ভোরে উপজেলার দুপ্তারা ইউনিয়নের কালিবাড়ী এলাকা থেকে তাঁর লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। ওই নারীর শরীরে বিভিন্ন স্থানে ব্লেড দিয়ে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। এ ঘটনার পর থেকে চৈতির স্বামী সাইফুল ইসলাম পলাতক। স্ত্রীকে নির্যাতনের পর ঘুমের ওষুধ খাইয়ে হত্যা করেছেন বলে ধারণা করছে পুলিশ।
শামসুন্নাহার চৈতির বাড়ী ময়মনসিংহের তারাকান্দা থানাধীন হাড়িয়াগাই এলাকার।তার বাবার নাম সামসুউদ্দিন মিয়া। তাঁর স্বামী সাইফুল ইসলামের বাড়িও ওই এলাকায়।
আড়াইহাজার পুলিশ জানায়, দুপ্তারা ইউনিয়নের কালিবাড়ী এলাকার একটি পোশাক তৈরির কারখানায় কর্মরত ছিলো চৈতি। একই এলাকার মাসুম মিয়ার বাড়িতে স্বামীকে নিয়ে ভাড়ায় থাকতো। আজ ভোরে অন্য ভাড়াটিয়ারা ঘরে চৈতির মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে তারা বিষয়টি বাড়িমালিক মাসুমকে জানালে তিনি আড়াইহাজার থানায় জানান। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায় ।
`অনৈতিক সম্পর্কের জের ধরে স্বামী সাইফুলের সঙ্গে ও স্ত্রী চৈতির বেশ কিছুদিন ধরে ঝগড়া ছিলো বলেও জানায় প্রতিবেশী ও অন্য শ্রমিকরা ।
এ বিষয়ে আড়াইহাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এনায়েত হোসেন বলেন, নিহতের শরীরের বিভিন্ন অংশে ব্লেড জাতীয় জিনিস দিয়ে কাটার চিহ্ন রয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, তাঁকে দৈহিক নির্যাতনের পর ঘুমের ওষুধ প্রয়োগ করা হয়েছিল তাঁকে। নিহতের লাশ উদ্ধার করে নারায়ণগঞ্জ ভিক্টোরিয়া হাসপাতালের মর্গে পাটানো হয়েছে।









Discussion about this post