৫ আগস্টের আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর ফতুল্লার কুতুবআইল শিল্পাঞ্চলে স্থানীয় কয়েকজনকে নিয়ে একটি গ্রুপ তৈরি করেন কাস্টমস কর্মকর্তা মারুফ হাসান। সেই গ্রুপ নিয়ে কয়েকটি গার্মেন্টসের জুট দখলে নেয় চক্র। আর জুটের লাভের অংশ ঠিকমতো না পাওয়ায় সদস্যরা মারুফের বিরোধিতা করে কয়েকদফা ঝাড়ু মিছিলসহ বিক্ষোভ করে।
আজ রোববার (১৬ মার্চ) সকালে ওই গ্রুপের সদস্যরা মারুফকে সন্ত্রাসী মাদক ব্যবসায়ী আখ্যা দিয়ে ঝাড়ু মিছিল করেছে। বিক্ষোভের পরে নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে লিখিত অভিযোগ প্রদান করে।
বিক্ষোভনারীরা জানায়, কুতুবআইল এলাকার গোলজার হোসেন, মোনায়েম, হবুল, ইউনুছ আলীসহ ১০ থেকে ১২ জন নিয়ে মারুফ একটি সন্ত্রাসী বাহিনী গঠন করে। ওই বাহিনীর সদস্যদের নিয়ে কুতুবআইলের পলমল গার্মেন্টস ও মোতালেব মনোয়ারা গার্মেন্টসসহ কয়েকটি জুট সেক্টর দখল করে মারুফ ও তার বাহিনী। প্রতি মাসে লাখ লাখ টাকা লাভ হয়। প্রথম দুয়েক মাস লাভের টাকা গ্রুপের সদস্যদের দিলেও পরবর্তীতে টাকা দেওয়া বন্ধ করে দেয় মারুফ।
মারুফ হাসান জানান, তিনি সাভার ইপিজেড এলাকায় কাস্টমস ইন্সপেক্টর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। কোনো রাজনীতির সঙ্গে জড়িত নন তবে তার বাবা স্থানীয় বিএনপির সঙ্গে জড়িত থাকায় তিনি বিএনপিকে ভালোবাসেন।
তিনি বলেন, সরকার পতনের পর স্থানীয় ভাইদের নিয়ে কয়েকটি গার্মেন্টসের জুট নামাতাম; কিন্তু তারা ঝামেলা করায় প্রায় ২০ দিন আগে ফতুল্লা মডেল থানায় ওসির সামনে বসে গোলজার মোনায়েম হবুলদের গার্মেন্টসের জুট সেক্টর বুঝিয়ে দিয়েছি। এ ব্যবসার সঙ্গে আর কখনো জড়িত হব বলে সবাইকে জানিয়েছি। তারপরও তারা আমাকে মিথ্যা অপবাদ দিয়ে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে অভিযোগ করেছে।
গোলজার হোসেন বলেন, মারুফ একজন সরকারি কর্মকর্তা হয়ে মাদক ব্যবসা জুট ব্যবসা ও সন্ত্রাসী মূলক কর্মকাণ্ড করতে পারেন না। আমরা তাকে গ্রেফতারের দাবি জানাই।









Discussion about this post