খানপুর ৩০০ শয্যা বিশিষ্ট বিশেষায়িত হাসপাতাল থেকে দুই দালালকে আটক করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।
এই সময় আটককৃত দুই ব্যাক্তিকে ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়। আটককৃতদের কারাদন্ড হলেও এই দারালদের নেপত্যে কারা কারসাজি করছে তার কোন সন্ধ্যান করতে পারে নাই কোন সংস্থা।
মূলত এই হাসপাতালের সকল দালাল ও অপরাধীদের রালন পালনের মূল হোতা
আজ শনিবার (৩ মে) এই অভিযান পরিচালনা করে ভ্রাম্যমাণ আদালত।
আটককৃতরা দারাণ হলেন- শহরের মোকসেদ আলীর পুত্র মোঃ মঞ্জু (৫৫), গলাচিপা এলাকার মোতালেব হাওলাদারের পুত্র মোঃ মাসুদ হাওলাদার (৪২)।
সরকারি এই হাসপাতালের আদেশ না তাকায় এবং আইন অমান্য করে রোগীদের বিভ্রান্ত করা এবং হাসপাতাল চত্বরে দালাল ও অবৈধ মধ্যস্থতাকারী কার্যক্রমে সম্পৃক্ত থাকার অভিযোগ রয়েছে এই দুই ব্যক্তির বিরুদ্ধে।
নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসনের সিনিয়র সহকারী কমিশনার মো: মোনাববর হোসেন জানান, সরকারি কর্মচারী কর্তৃক পূর্বে জারীকৃত আদেশ অনুযায়ী হাসপাতাল এলাকায় দালাল বা প্রতারকচক্রের কার্যক্রম সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ থাকলেও, উক্ত আদেশ অমান্য করে সংশ্লিষ্ট দুই ব্যক্তি সেখানে সক্রিয় ছিলেন। অভিযান পরিচালনার সময় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সহায়তায় দুইজন আসামিকে তৎক্ষণাৎ আটক করা হয়।
নাম প্রকাশ না করার অনুরোধে ৩০০ শয্যা হাসপাাতলের কয়েকজন কর্মকর্তা বলেন, মূলত হাসপাতালের তত্তাবধায়ক ডাঃ মোঃ আবুল বাসার নিজেই একজন মহাদূর্ণীতিবাজ। এই আবুল বাসার প্রতিদিন এই হাসাপাতালের কাজ শুরু করেন দূর্ণীতির মাধ্যমে। আর হাসপাতালে কর্মঘন্টা শেষ করেন দূর্ণীতির মাধ্যমে। তার দূর্ণীতির ছোট্ট উদহারণ হচ্ছে তিনি দীর্ঘদিন যাবৎ এই হাসপাতালের সরকারী এম্বুলেন্স দিয়ে সরকারী জ্বালানী তেল খরচা করে একজন মাদক ব্যবসায়ীকে বিশেষ সুবিধা দিয়ে মুন্সীগঞ্জ থেকে চলাচল করেন একজন রোগীর নামে রেজিস্ট্রেশন দেখিয়ে। শাক দিয়ে মাছ ঢাকার মতো এই সরকারী এম্বুলেন্সটি দিয়ে কোন রোগী বহন করেন না। আর সারাদিন তো পরীক্ষা নিরীক্ষা ও দালাল চক্রের মাধ্যমে কমিশন বাণিজ্য করে নানা অপকর্ম চালিয়ে যাচ্ছে এই আবুল বাসার। সকল অপরাধীদের সাথে রয়েছে আবাুল বাসারের গভীর আতাঁত। এই হাসপাতালের তত্বাবধায়ক সৎ হলে বন্ধ হবে দূর্নীতি, বন্ধ হবে রোগীর জন্য ওষুধের লুটপাট – চুরি ! বন্ধ হবে সকল অপকর্ম। নইলে ভোগান্তি চলছে চলবেই ।









Discussion about this post