সিদ্ধিরগঞ্জ প্রতিনিধি :
সিদ্ধিরগঞ্জে অবস্থিত দেশের আমদানীকৃত গম খালাসের সবচেয়ে বড় স্থাপনা সাইলো এখন পিতা পুত্রের নিয়ন্ত্রণে। তারা রাতের আধাঁরে নদীপথে শিপে করে নিয়ে আসা গম ডিপো থেকে ট্রাকে লোড করার সময় তাদের পালিত লোকদের মাধ্যমে গম চুরি করে আসছে দীর্ঘদিন ধরে।
অভিযোগ উঠেছে সিদ্ধিরগঞ্জের নাসিক ৫নং ওয়ার্ড এলাকার আলাউদ্দিন আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকাকালীন সময় থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত দীর্ঘদিন ধরে গম বহন করা ট্রাকের সিরিয়ালের দায়িত্ব পালন করে আসছে। এর সুবাধে আলাউদ্দিন তার দুই ছেলে জুয়েল ও সোহেল এর মাধ্যমে সুকৌশলে প্রতিদিন প্রায় দেড় থেকে দুই টন গম চুরি করে আসছে। বর্তমানে বিএনপির নেতাকর্মীদের ম্যানেজ করেই আলাউদ্দিন তার এসব অপকর্ম চালিয়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
স্থানীয়রা জানান, এসব চোরাইকৃত গম জুয়েলের কনফেকশনারী দোকানের পিছনেসহ আত্বীয় স্বজনের বাসায় মজুদ করে পরবর্তীতে আলাউদ্দিন তার ছেলেদের মাধ্যমে সিদ্ধিরগঞ্জের আদমজী সোনা মিয়া মার্কেট বাজার, মিজমিজি পাগলা বাড়ি, নিতাইগঞ্জ, পাগলা ও ফতুল্লাসহ বিভিন্ন মার্কেটে বিক্রি করে আসছে।
এদিকে গত বেশ কয়েকদিন পূর্বে চোরাইকৃত গমসহ সোহেল ও জুয়েলের পালিত চোরের দল স্থানীয়দের কাছে ধরা পরে। পরে ঘটনাস্থলে এসে সোহেল স্থানীয় সাবেক কাউন্সিলরের নাম বিক্রি করে চোরাই গম ছেড়ে দিতে বলে। কাউন্সিলরের নাম বলাতে স্থানীয়রা ছেড়ে দিলে সেই চোরাই গম উদ্ধার করে পুনরায় বাজারে বিক্রি করে সোহেল।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে অভিযুক্ত (সুদ ব্যবসায়ী) সোহেল বলেন, আমি এর সাথে জড়িত নই। আমার ভাই জড়িত। একটি পক্ষ আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে বলে দাবি তার। এ বিষয়ে জানতে চাইলে অভিযুক্ত জুয়েল গম চুরির বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন, আমি চুরাইকৃত গম ক্রয় করে তা বিক্রি করি।
আমি গম চুরি করি না। আগে গম ক্রয় করে বিক্রি করেছি এখন তা বন্ধ করে দিয়েছি।
বিষয়টি জানতে চাইলে সাইলো খাদ্য গুদামের সুপার খন্দকার সিরাজুস সালেকিন জানান, ভেতরে চুরি করা সম্ভব নয়। চুরি করলে হয়তো গেটের বাহিরে করতে পারে। বিষয়টি আমার জানা নেই।









Discussion about this post