সিদ্ধিরগঞ্জে স্বর্ণের দোকানের আড়ালে সুদের ব্যবসা, ডাকাতি, চুরি, ছিনতাই ও লুটের স্বর্ণ কেনার অভিযোগ উঠেছে জামান জুয়েলার্স নামক প্রতিষ্ঠান মালিকের বিরুদ্ধে।
বাজার দরের চাইতে অত্যান্ত কমমূল্যে চোরাই স্বর্ণ ক্রয় করার অভিযোগে জামান জুয়েলার্সের ম্যানেজার নাজমুল ইসলামকে গ্রেপ্তারও করেছে পুলিশ।
বুধবার (৩০ জুলাই) সন্ধ্যায় ওই জুয়েলার্সের ম্যানেজারকে গ্রেপ্তার করলেও বৃহস্পতিবার (৩১ জুলাই) এমন গ্রেফতারের ঘটনা সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ওসি মোহাম্মদ শাহিনূর আলম নিশ্চিত করেন।
চুরির এমন ঘটনার বিষয়ে জানা গেছে, সিদ্ধিরগঞ্জের গোদনাইল ধনকুণ্ডা এলাকার আব্দুল মালেকের বাড়ি থেকে সাড়ে ১১ ভরি স্বর্ণ ও ২২ ভরি রুপা চুরি করে রাফিন ও হাসিবুর রহমান নামে ২ শিক্ষার্থী।
পরবর্তীতে ফের চুরি করে তারা ধরা পড়ার পর বেরিয়ে আসে জামান জুয়েলার্সের গোপন অজানা রহস্য।
জামান জুয়েলার্সের মালিক ও ম্যানেজার সুদ ব্যবসার মক্কেল সংগ্রহকারী ৩ নারীর সহায়তায় ওই ২ শিক্ষার্থী চুরি করা স্বর্ণের সিংহভাগই বিক্রি করে জামান জুয়েলার্সে।
গ্রেপ্তারের পর শিক্ষার্থী আফিন ও হাসিবুল থানা পুলিশের কাছে এসব তথ্য জানায়। তখন পুলিশ জামান জুয়েলার্সে অভিযান চালিয়ে ম্যানেজার নাজমুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করলেও মালিক কে আটক করতে পারে নাই।
পুলিশের তদন্ত কর্মকর্তা জানায়, চোরাই স্বর্ণ ক্রয়ের কথা স্বীকার করেছে ম্যানেজার নাজমুল। এ ছাড়া চুরির ঘটনায় করা মামলায় নাজমুল ইসলাম ও তার সহযোগী ৩ নারীকেও আসামি করা হয়েছে। যাদের গ্রেফতারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।
উল্লেখ্য, নারায়ণগঞ্জ মহানগরীর অনেক জুয়েলার্স এবং স্বর্ণালংকার ব্যবসায়ী চক্র সারাদেশের অধিকাংশ ডাকাতি, চুরি, ছিনতাই ও লুটের স্বর্ণ স্বল্পমূল্যে ক্রয় করে আংগুল ফুলে কলাগাছ বনে গেছে অনেক অপরাধী।

স্বর্নের ব্যবসায় অন্তরালে এই চক্রের অনেকেই নারায়ণগঞ্জ মহানগরীর সিদ্ধিরগঞ্জ, শহরের কালীরবাজার, মীনা বাজারের অনেকেই ডাকাতি চোরাই ও লুন্ঠন করা স্বর্ণ স্বল্পমূল্যে ক্রয় করে আংগুল ফুলে কলাগাছ বনে গেছে। আবার অনেকেই গ্রেফতার হয়ে কারাবরণ করলেও এমন লোভনীয় ব্যবসা কেউ ছাড়তে পারে নাই।









Discussion about this post