“জয় (সজীব ওয়াজেদ জয়) সাহেব মৌলবাদের ওপর খুবই ক্ষিপ্ত। টুপিওয়ালা-দাড়িওয়ালাদের দেখলে মেজাজ খারাপ হয়। একই বক্তব্য তারেক (তারেক রহমান) সাহেবের। তারেক সাহেব আর জয় সাহেবের বক্তব্যে কোনো পার্থক্য নেই।”
এভাবেই ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সিনিয়র নায়েবে আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ ফয়জুল করীম বৃহস্পতিবার (২৮ আগস্ট) সন্ধ্যায় নাসিক ৩ নম্বর ওয়ার্ডের গ্রীন-গ্রার্ডেন রেস্টুরেন্টে আলোচনা সভায় সাবেক প্রধান মন্ত্রী খালেদা জিয়ার পুত্র তারেক রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পুত্র সজীব ওয়াজেদ জয়কে নিয়ে এমন মন্তব্য করেন।
ফয়জুল করীম আরও বলেন, “মির্জা ফখরুল সাহেবের নেতারা বক্তব্য দেয়, কেউ যদি অন্য মার্কায় ভোট দেয় তাহলে বিএনপি কর্মীরা তাকে ঠ্যাং ভেঙে বের করে দিবে। এগুলোকে ‘ডিক্টেটরশিপ’ (স্বৈরশাসন) বলে। এগুলো হলো চরমপন্থা, একনায়কতন্ত্র, এটাকে ‘বাকশাল’ বলা হয়।”
তিনি বলেন, ‘মির্জা ফখরুল সাহেব শরিয়া আইন বিশ্বাস করেন না। মির্জা ফখরুল সাহেবকে আমার খুব ভালো লাগে। উনি মুনাফিক না, উনি স্পষ্টবাদী। এটা ভালো গুণ। উনি একজন ভালো রাজনীতিবিদ, এজন্য উনাকে আমার ভালো লাগে। উনি গণতন্ত্র সম্পর্কে যে আলোচনা করেন, উনার দল কি উনার বক্তব্য মানে?’
নারায়ণগঞ্জ জেলা ইসলামী যুব আন্দোলনের সভাপতি মুহাম্মাদ জুবায়ের হোসাইনের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন ইসলামী যুব আন্দোলনের সেক্রেটারি জেনারেল মুফতি মানসুর আহমাদ সাকী।
নারায়ণগঞ্জ জেলা ইসলামী আন্দোলনের সভাপতি মুহাম্মাদ দ্বীন ইসলাম, নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে এমপি প্রার্থী মুফতি ইসমাঈল সিরাজী আলমাদানী, নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনে এমপি প্রার্থী মুফতি মাসুম বিল্লাহসহ অন্যান্যদের উপস্থিতিতে ফয়জুল করীম আরো বলেন, ‘এদেশ পরিবর্তন হয়েছে, দল পরিবর্তন হয়েছে, লিডার পরিবর্তন হয়েছে, কিন্তু মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন হয় নেই। আওয়ামী লীগ-বিএনপির মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ। বিএনপি-আওয়ামী লীগের বক্তব্য আর কাজে কোনো পার্থক্য নেই। তারা একই সুরে কথা বলে।









Discussion about this post