সোনারগাঁওয়ের কাঁচপুরের বিসিক শিল্পাঞ্চল এলাকায় গ্যাসের লাইনে বিস্ফোরণের ঘটনায় বাবা-মার পর এবার না ফেরার দেশে চলে গেলেন মেয়ে মুন্নি চৌধুরী (১৪)।
১৫ সেপ্টেম্বর (সোমবার) দিবাগত রাত পৌনে ১০টার দিকে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় কিশোরী মুন্নি চৌধুরীর মৃত্যু ঘটে বলে নিশ্চিত করে জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন ডা. শাওন বিন রহমান।
নিহত মুন্নি চৌধুরী সুনামগঞ্জের সুলা থানার বলরামপুর গ্রামের মানব চৌধুরী ও বাচা চৌধুরী দম্পতির মেয়ে। পরিবারে সঙ্গে সোনারগাঁওয়ের বিসিক শিল্পাঞ্চলের তিন নম্বর গলির একটি বাড়িতে ভাড়া থাকতো তারা।
জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন ডা. শাওন বিন রহমান আরো বলেন, সোনারগাঁয়ে গ্যাস থেকে বিস্ফোরণের ঘটনায় মুন্নি চৌধুরী নামে এক কিশোরী চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। মুন্নি চৌধুরীর শরীরের ২৮ শতাংশ দগ্ধ ছিলো।
গত শনিবার ও রোববার মুন্নি চৌধুরীর বাবা-মা চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায় বলেও জানান ডা. শাওন বিন রহমান।
উল্লেখ্য, ৪ সেপ্টেম্বর ভোর সাড়ে ৫টার দিকে বাসায় গ্যাস বিস্ফোরণে একই পরিবারের পাঁচজন দগ্ধ হয়। মানব চৌধুরী ও বাচা চৌধুরী দম্পতির তিন মেয়ে মুন্নি চৌধুরী (১৪), তিন্নি চৌধুরী (১২) ও মৌরি চৌধুরীকে (৬) দগ্ধ অবস্থায় জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসা হয়েছিলো। বর্তমানে তাদের দুই মেয়ে তিন্নি ও মৌরি বার্ন ইনস্টিটিউটের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন রয়েছে।









Discussion about this post