ফতুল্লার সস্তাপুর এলাকা থেকে অজ্ঞাতপরিচয় এক কিশোরীকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করেছে স্থানীয় জনতা।
আজ শনিবার ২০ সেপ্টেম্বর দুপুর আনুমানিক ১২ টার দিকে রাস্তার পাশে কিশোরীটিকে অচেতন অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে এলাকাবাসী প্রথমে পুলিশে খবর দেন এবং পরে তাকে উদ্ধার করে নারায়ণগঞ্জ জেনারেল (ভিক্টোরিয়া) হাসপাতালে ভর্তি করেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, কিশোরীটির বয়স আনুমানিক ১৪-১৬ বছর। পরনে ছিল সাধারণ পোশাক, তবে তার শরীরে আঘাতের কোনো চিহ্ন দেখা যায়নি।
স্থানীয়রা ধারণা করছেন, মেয়েটিকে কেউ ইচ্ছাকৃতভাবে এখানে ফেলে রেখে গেছে, অথবা সে কোনো অপরাধের শিকার হতে পারে।
ঘটনার পরপরই ফতুল্লা থানার একটি পুলিশ টিম ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রাথমিক তদন্ত শুরু করেছে। পুলিশ জানায়, মেয়েটি এখনও অচেতন থাকায় তার পরিচয় জানা সম্ভব হয়নি। বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখা হচ্ছে এবং সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলেও জানান তারা।
এদিকে, স্থানীয়দের মধ্যে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। অনেকে মেয়েটিকে চেনেন না বলে জানিয়েছেন। তবে মানবিক দিক বিবেচনায় এলাকাবাসীর তাৎক্ষণিক সহযোগিতায় মেয়েটি চিকিৎসা পাচ্ছে।
এ বিষয়ে ফতুল্লা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শরিফুল ইসলাম বলেন, “এটি একটি সংবেদনশীল ঘটনা। মেয়েটি সম্পূর্ণ সুস্থ হলে বিস্তারিত জানা যাবে। মেয়েটি চানমারী এলাকা থেকে অটো রিকশায় উঠে সস্তাপুর স্টেডিয়ামের সামনে এসে অচেতন হয়ে অটো রিকশা থেকে ঢলে পরে যায়। ইতিমধ্যে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে এবং আমরা মেয়েটির পরিবারের সন্ধান করার চেষ্টা করছি।”
এ ঘটনায় নারায়ণগঞ্জ জেনারেল (ভিক্টোরিয়া) হাসপাতালের আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার ডাক্তার জহিরুল ইসলাম বলেন, মেয়েটিকে জরুরি বিভাগে নিয়ে আনার পর হাসপাতালে ভর্তি করেছে জরুরী বিভাগের চিকিৎসক ডাক্তার গোলাম মোস্তফা ইমন। মেয়েটি অচেতন অবস্থায় হাসপাতালের তৃতীয় তলায় চিকিৎসাধীন রয়েছে।









Discussion about this post