মহানগর প্রতিনিধি :
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় যমুনা অয়েল কোম্পানির ডিপো থেকে পৌনে চার লাখ লিটার জ্বালানি তেল চুরির ঘটনায় গঠিত তদন্ত কমিটি এখনো পর্যন্ত কোনো রিপোর্ট জমা দেয়নি—ফলে পুরো ফতুল্লা ছাড়াও নারায়ণগঞ্জের সর্বত্র বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক সমালোচনা দেখা দিয়েছে।
সূত্র জানায়, চাঞ্চল্যকর এই তেল চুরির ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠনের পরও দীর্ঘ সময় পেড়িয়ে গেছে। কিন্তু এখনো পর্যন্ত কোনো অগ্রগতি বা রিপোর্ট প্রকাশ হয়নি।
এতে স্থানীয়রা প্রশ্ন তুলেছেন, “তদন্ত হচ্ছে, না কি ধামাচাপা দেওয়া হচ্ছে?”
স্থানীয়দের অভিযোগ, এ ঘটনার মূল হোতা হিসেবে পরিচিত টুটুল নামের তেল চুরির গডফাদার ও তার ঘনিষ্ঠ সিন্ডিকেট পুরো ঘটনা ম্যানেজ করে ফেলেছে।
কেউ কেউ বলেন, “ব্রাজিল বাড়ির সেই তেলচোরদের গডফাদার টুটুল” পুরো চার লাখ লিটার তেল চুরির মূল হোতা । তদন্ত কমিটিও সেই টুটুলের প্রভাবের বাইরে থাকতে পারেনি।”
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, “তদন্ত কমিটির কাজ চলছে, তবে প্রভাবশালী কিছু ব্যক্তির হস্তক্ষেপের কারণে রিপোর্ট দিতে বিলম্ব হচ্ছে, অথবা মূল প্রতিবেদন দাখিল করতে তালবাহানা করছে।”
স্থানীয় বাসিন্দা ও সচেতন মহল বলছেন, সরকারি প্রতিষ্ঠানের এমন জ্বালানি তেল চুরি শুধু রাষ্ট্রীয় সম্পদের ক্ষতি নয়, বরং প্রশাসনের বিশ্বাসযোগ্যতার ওপরও আঘাত। তারা দ্রুত তদন্ত রিপোর্ট প্রকাশ ও অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
সচেতন মহলের দাবি:
– চুরির সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় আনতে হবে।
– তদন্ত রিপোর্ট প্রকাশ করতে হবে।
– ফতুল্লা এলাকায় জ্বালানি সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে কঠোর অভিযান চালাতে হবে।
নারায়ণগঞ্জের মানুষ এখন অপেক্ষায়—পৌনে চার লাখ লিটার তেল চুরির তদন্ত রিপোর্ট আসবে, না কি এটি ধামাচাপা দেওয়ার আরেকটি উদাহরণ হয়ে থাকবে ?









Discussion about this post