নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি :
নারায়ণগঞ্জ শহরের একসময়ের কুখ্যাত চাঁদাবাজ ও সমিতির সাবেক সভাপতি শাহজাহান খান আবারও আলোচনায়। নিজের দ্বিতীয় স্ত্রী ডা. জি. এ. বানুর মৃত্যুর খবরে প্যারোলে মুক্তি পেয়ে তিনি আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এসেছেন।
রোববার (১৯ অক্টোবর) সকালে ফতুল্লার সস্তাপুর এলাকায় ডা. জি. এ. বানু মারা যান। তার মৃত্যুর পর পারিবারিক আবেদনের প্রেক্ষিতে মুন্সীগঞ্জ জেলা প্রশাসন দুই ঘণ্টার জন্য শাহজাহান খানকে প্যারোলে মুক্তির অনুমতি দেয়।
বিকেলে মুন্সীগঞ্জ কারাগার থেকে এনে শাহজাহান খানকে স্ত্রীর জানাজা ও দাফনে অংশ নিতে ফতুল্লার সস্তাপুর এলাকায় নেওয়া হয়। সেখানে জানাজা শুরুর আগে তিনি রাজনৈতিক বক্তব্য দেন।
বক্তব্যে শাহজাহান খান বলেন, “জেলখানা আমার জন্য একপ্রকার নেয়ামত। সেখানে আমি কোরআন শরীফ পড়া শিখেছি এবং ইসলামের অর্থ বোঝার চেষ্টা করছি।”
এই বক্তব্যকে কেন্দ্র করে এলাকায় মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। অনেকেই মনে করছেন, প্যারোলে মুক্তির সুযোগে তিনি রাজনৈতিক ইমেজ পুনর্গঠনের চেষ্টা করছেন।
ফতুল্লা থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) আনোয়ার হোসেন জানান, “জানাজা ও দাফন শেষে শাহজাহান খানকে আবার মুন্সীগঞ্জ জেলা কারাগারে ফেরত পাঠানো হয়েছে।”
উল্লেখ্য, শাহজাহান খান একসময় নারায়ণগঞ্জ শহরের সমিতি চক্রের সভাপতির দায়িত্বে ছিলেন। তার বিরুদ্ধে ব্যাপক চাঁদাবাজি, সন্ত্রাসী কার্যকলাপ ও আধিপত্য বিস্তারের অভিযোগ রয়েছে। এসব কর্মকাণ্ডের কারণে এলাকায় তিনি ‘কব্জি শাহজাহান’ নামে পরিচিতি পান।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সূত্রে জানা গেছে, শাহজাহান খানের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা চলমান রয়েছে। তিনি বর্তমানে মুন্সীগঞ্জ জেলা কারাগারে বন্দি অবস্থায় আছেন।









Discussion about this post