বিশেষ প্রতিবেদক :
আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ৩ নভেম্বর সারাদেশে ২৩৭টি আসনের প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে।
ঘোষিত প্রার্থীদের তালিকায় রয়েছেন দলের শীর্ষ নেতা থেকে শুরু করে তরুণ ও নতুন মুখও।
ঘোষিত ২৩৭ আসনের মধ্যে দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া তিনটি আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন—ফেনী-০১, বগুড়া-০৭ ও দিনাজপুর-০৩।
তাঁর পাশাপাশি নারী নেতৃত্বকে সামনে আনতে বিএনপি এবার মোট ১১ জন নারী প্রার্থীকে মনোনয়ন দিয়েছে।
ঘোষিত নারী প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছেন—
– যশোর – ২ আসনে সাবিবা সুলতানা,
– ঝালকাঠি ২ আসনে সুলতানা ইলেন ভুট্টু,
– শেরপুরে ১ সানজিদা জেবরিন,
– মানিকগঞ্জ-৩ আসনে আফরোজা রিতা,
– ঢাকা-১৪ আসনে কান্দিজা ইসলাম তুলি,
-ফরিদপুর ৩ (সদর) আসনে চৌধুরী নায়াব ইউসুফ
– ফরিদপুর-২ আসনে শ্যামা ওবায়েদ,
– টাঙ্গাইলের ২ আসনে তাহসিনা রুশদীর।
খালেদা জিয়ার তিনটি আসন বাদ দিলে বাকি আট জন নারী প্রার্থী এ তালিকায় রয়েছেন। নারী সমাজে এই পদক্ষেপকে কেউ ইতিবাচক পরিবর্তনের ইঙ্গিত হিসেবে দেখছেন, আবার কেউ প্রশ্ন তুলছেন সংখ্যার সীমাবদ্ধতা নিয়ে।
দলীয় সূত্র জানায়, বিএনপি এখনো বাকি ৬৩টি আসনের প্রার্থী চূড়ান্ত করেনি। শিগগিরই বাকি আসনগুলোতে প্রার্থীর নাম ঘোষণা করা হবে বলে জানানো হয়েছে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, এ মনোনয়ন তালিকা ঘোষণায় বিএনপি তাদের সাংগঠনিক ভারসাম্য রক্ষা করেছে। তবে নারী প্রার্থীর সংখ্যা বাড়ানো গেলে তা আগামী নির্বাচনে দলের জন্য একটি ইতিবাচক বার্তা বয়ে আনতে পারত বলেও মত দিয়েছেন অনেকে।
মনোনয়ন তালিকা প্রকাশের পর সামাজিক ও রাজনৈতিক মহলে চলছে মিশ্র প্রতিক্রিয়া—বিশেষ করে নারী প্রার্থীদের অন্তর্ভুক্তি নিয়ে চলছে আলোচনা ও গুঞ্জন। বিএনপি এবার নারী নেতৃত্বকে কতটা কার্যকরভাবে সামনে আনতে পারে, তা এখন দেখার অপেক্ষা।









Discussion about this post